রাজ্যের খবর

সরস্বতী পুজোতে এবার এসআইআর থিমের ছোঁয়া

যা সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপকভাবে চর্চিত বিষয়।

Truth Of Bengal: রাজ্য জুড়ে চলছে এসআইআর । প্রথম ধাপে এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে বাড়ি বাড়ি যেতে দেখা গিয়েছিল বিএলও-দের। এরপর এখন ধাপে ধাপে চলছে এই শুনানি পর্ব । তা নিয়ে রাজ্য- রাজনীতিতে বেড়েছে উত্তেজনার পারদ। আর সেই এসআইআর-ই এবার উঠে এল সরস্বতী পুজোর থিম হিসেবে। হুগলির পান্ডুয়া বিধানসভার বৈঁচিগ্রামে সুপারস্টার পুজো কমিটির ২৮তম বর্ষের সরস্বতী পুজো ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে।

এবছর তাঁদের পুজোর থিম রাখা হয়েছে এসআইআর। যা সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপকভাবে চর্চিত বিষয়। মণ্ডপে প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে অভিনব দৃশ্য। দু’পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জন—একজন বিএলও, অন্যজন বিএলএ। তাঁদের হাতে রয়েছে ভোটার তালিকা ও এনুমারেশন ফর্ম। বিদ্যার দেবী সরস্বতীর কাছে এসআইআর ফর্ম নিয়ে হাজির তাঁরা। সেই দৃশ্যে দেবীর কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে রসিক মন্তব্য, ‘বাবা, আমাকেও ছাড়লি না? আমারও এসআইআর?’

উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, সেই বাস্তবতাকেই এই পুজোয় প্রতীকী ও সৃজনশীল রূপ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের কল্পনায় দেবতারা অমর, তাই দেবীর নামও যেন এসআইআর-এ উঠে আসে—ভোটার তালিকায় থেকে যান মানুষের স্মৃতিতে। শিক্ষা যেমন সমাজকে আলোকিত করে, তেমনই সমাজের প্রতিটি কোণায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়াই এই থিমের মূল বার্তা।পুজো কমিটির সম্পাদক প্রীতম মুখার্জি বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। নাম বা তথ্যের কোনও ভুল থাকলে তা সংশোধন করা উচিত। নির্বাচন কমিশন যে কাজ করছে, আমরা তাকে সমর্থন জানাই। ভোটার তালিকায় প্রতিটি মানুষের নাম যেন নির্ভুলভাবে থাকে। প্রত্যেকে ভোটাধিকার পাক এবং নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক।সরস্বতী পুজোয় সামাজিক বার্তা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এমন অভিনব মেলবন্ধন ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

Related Articles