খেলা

রিচার নামে উত্তরবঙ্গে স্টেডিয়াম তৈরি হবে শুনে আনন্দে ভাসছেন সম্বরণ ও শিবশঙ্কর

মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন করেন চাঁদমানি টি এস্টেটের ২৭ একর জমিতেই তৈরি হবে সদ্য বিশ্বকাপজয়ী বাংলার মহিলা ক্রিকেটার রিচা ঘোষের নামাঙ্কিত স্টেডিয়াম।

Bangla Jago Desk: সুদীপ্ত ভট্টাচার্য: সদ্য ঘরের মাঠে দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ জয় করেছে ভারত। সেই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন এই বাংলারই মেয়ে রিচা ঘোষ। গত কয়েকদিন আগে ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত সিএবি-র সংবর্ধনা সভায় রিচাকে পুলিশের ডিএসপি চাকরি এবং সোনার চেন উপহার দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার আরও বড় ঘোষণা সোমবার দিন উত্তর কন্যায় বসে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন করেন চাঁদমানি টি এস্টেটের ২৭ একর জমিতেই তৈরি হবে সদ্য বিশ্বকাপজয়ী বাংলার মহিলা ক্রিকেটার রিচা ঘোষের নামাঙ্কিত স্টেডিয়াম। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বর্তমানে বাংলার বোলিং কোচ শিবশঙ্কর পাল।

এই প্রসঙ্গে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী একদম যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন। বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসেবে আমার দারুণ আনন্দ হচ্ছে। যা ভাষায় প্রকাশ হচ্ছে। রিচা আমাদের বাংলার মেয়ে। ও দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জয় করেছে। সুতরাং মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’

রিচার মত উত্তরবঙ্গ থেকেই বঙ্গ ক্রিকেটে উত্থান হয়েছিল বাংলার বর্তমান বোলিং কোচ শিবশঙ্কর (ম্যাকো) পালের। রিচা শিলিগুড়ি থেকে কলকাতায় আসার পর সর্বোতভাবে তাঁর পাশে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন শিবশঙ্কর। বর্তমানে বাংলা দল নিয়ে গুজরাটে রয়েছন ম্যাকো। ম্যাচ শেষে ক্লান্ত শরীরে হোটেলে ফিরেই এমন সুসংবাদ পেলেন বাংলার বোলিং কোচ। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শিবশঙ্কর বলেন, ‘রিচার নামে স্টেডিয়াম তৈরি হবে, মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণা সত্যিই আমার আনন্দের অনুভূতি আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই এমন একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। কেননা এই নতুন স্টেডিয়াম উত্তরবঙ্গের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের কাছে দারুণ উপকার হবে।

এদিকে মেয়ের নামে স্টেডিয়াম তৈরি হবে, যা শুনে খুশি রিচার বাবা মানবেন্দ্র ঘোষের পাশাপাশি আপামর ক্রিকেটপ্রেমীরাও। তাঁদের মতে, আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার ফলে উত্তরবঙ্গের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য যেমন উপকার হবে, ঠিক তেমনই তাঁদের সামনে নতুন দরজা উন্মোচিত হবে।

 

Related Articles