খেলা

আরসিবি-তে যোগ দিয়েই বাবাকে আম্পায়ারিং করতে নিষেধ করেছিলেন রিচা!

সেখানেই নিজের সাফল্যের উর্ধ্বস্থানে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে তাঁর পরিবারের আত্মত্যাগের কথা বার বার স্মরণ করেন উত্তরবঙ্গের এই তরুণী।

Truth Of Bengal: মহিলাদের ক্রিকেট লিগের মেগা ইভেন্টের নিলাম এখনও হয়নি। তবুও তার মধ্যেই নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিয়েছে বিরাট কোহলি-রজত পাতিদারদের দল গত আইপিএল-র চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। তারা দলে যাঁদের ধরে রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন বাংলার ক্রিকেটার রিচা ঘোষ। ইতিমধ্যে হাইটেক নগরীর দলটির হয়ে রিচার একটি ভিডিও বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। সেখানেই নিজের সাফল্যের উর্ধ্বস্থানে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে তাঁর পরিবারের আত্মত্যাগের কথা বার বার স্মরণ করেন উত্তরবঙ্গের এই তরুণী।

রিচা বলেন, ‘আরসিবি-র মতো একটা দলে যোগ দেওয়া আমার কাছে স্বপ্নের মত ছিল। আমি ভাবতেই পারিনি ২০২২ সালে আরসিবির জার্সি গায়ে মাঠে নামার সুযোগ আমার সামনে আসবে। এবং সেটা এসেছিল আচমকাই। তখন আমরা দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ছিলাম। হোটেলের ঘরে বসে টিভি দেখার সময় সেই সময় আমার কাছে খবর আসে। কেননা সেই সময় আরসিবি দলে ছিলেন স্মৃতিদির মতো ক্রিকেটাররাও। আর স্মৃতিদির সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই তখন আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই।’

এরপরই রিচা ফিরে গেলেন তাঁর শৈশবে। যখন তাঁকে ক্রিকেটার তৈরি করার পিছনে বাবা মানবেন্দ্রনাথ ঘোষ সহ অন্যান্যদের যে পরিশ্রম তা আজও ভোলেননি রিচা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে এই জায়গায় পৌঁছোনোর জন্য আমার পরিবারের সদস্যদের আত্মত্যাগ কখনও ভুলব না। তাঁদের আত্মত্যাগ না থাকলে আমার এই জায়গায় পৌঁছনো সম্ভব হত না। এরপর ক্রিকেট খেলে যখন অর্থ রোজগার করতে শুরু করি, তখন বাবাকে বারণ করি আর তোমাকে আম্পায়ারিং করতে হবে না। কারণ আম্পায়ারিং করা মানে ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত টানা মাঠে দাঁড়িয়ে থাকা। এই কষ্ট আর করতে হবে না। বয়স হচ্ছে এখন বাড়িতে আরাম কর। কিন্তু হলে কি হবে, কে শোনে কার কথা!’

Related Articles