খেলা

Karate: বাধ সাধল অর্থ, জাপানে খেলার স্বপ্ন এবার সফল হল না কুহেলির

প্রথমে স্কুলে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ শিবিরে ভরতি হলেও পরে কুহেলিককে প্রশিক্ষণ শুরু করে পাশ্ববর্তী ত্রিবেনী ফুটবল মাঠে দীপক হারির কাছে।

Truth of Bengal: সুদীপ্ত ভত্তাছারজঃ ছোট্ট কুহেলি। ছোট থেকেই কুহেলির স্বপ্ন দেখেছিল দেশের হয়ে খেলার। সেই স্বপ্ন পূরণের খুব কাছাকাছি সে পৌঁছেও গিয়েছিল। কিন্তু ভাগ্য তাঁর সঙ্গ দিল না। ভাগ্য বলতে জাপান যেতে গেলে  যে অর্থের প্রয়োজন সেটা শত চেষ্টা করেও যোগার করে মেয়ের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পারলেন না কুহেলির বাবা জ্যোতি দাস।(Karate)

ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি মেয়ের আগ্রহ দেখে ছোট মেয়ে কুহলিকে ক্যারাটে (Karate) প্রশিক্ষণ শিবিরে নিয়ে গিয়ে ভরতি করে দেন জ্যোতি বাবু। তখন কুহেলি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। প্রথমে স্কুলে ক্যারাটে প্রশিক্ষণ শিবিরে ভরতি হলেও পরে কুহেলিককে প্রশিক্ষণ শুরু করে পাশ্ববর্তী ত্রিবেনী ফুটবল মাঠে দীপক হারির কাছে। তারপর ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিভা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কুহেলি নিজেকে প্রমাণ করতে শুরু করে। প্রথমে স্থানীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর, সেখান থেকে জেলা এবং তারপর জাতীয় স্তর এবং সাউথ এশিয়ান গেমসে জোড়া পদক জয়ের পরই জাপানে যাওয়ার সুযোগ মেলে ত্রিবেণীর বাসিন্দা এই ক্ষুদে ক্যারাটে খেলোয়াড়ের সামনে।

[আরও পড়ুনঃ DVC: রাজ্যকে না জানিয়েই ফের জল ছাড়ল ডিভিসি]

কিন্তু হলে কি হবে! কুহেলির সেই স্বপ্ন এবার সফল হয়নি। না, অন্য কোনও কারণ নয়, কারণ একটাই সেটা হল অর্থ। জাপান যেতে গেলে যে পরিমাণ অর্থের দরকার তা শত চেষ্টা করেও জোগাড় করতে পারেননি কুহেলির বাবা পেশায় গাড়ির চালক জ্যোতিবাবু। তাই আক্ষেপের সুরে একরাশ হতাশা নিয়ে তিনি জানান, ‘অনেক চেষ্টা করেছিলাম কুহেলিকে জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত চলতি মাসের ৯ ও ১০ তারিখ দুদিন বিশ্ব হাকুয়াকাই প্রতিযোগিতায় পাঠানোর জন্য। চেষ্টাও কম করিনি। অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছিলাম।(Karate)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]

বহু লোকের কাছেও গিয়েছি। কেউ ফিরিয়ে দিলেও, অনেকেই কিন্তু বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত। এমনকি বাঁশবেড়িয়া পুরসভার পুরপিতা আদিত্য নিয়োগীও কুহেলির জাপান যাওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করেছিলেন। অনেশ আশা করেছিলাম, তা পূরণ হল না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই গত দু’দিন আগেই উদ্যোক্তাদের জানিয়ে দিই, এবার আমাদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে এখন থেকে চেষ্টা করছি আগামী বছর যাতে মেয়েকে জাপানে পাঠানো যায়। অন্তত একবার যাতে ওর স্বপ্ন সফল হয় সেই চেষ্টা করব। বাকিটা ঈশ্বর জানেন!’

Related Articles