
The Truth of Bengal: আধঘণ্টার ব্যবধানে নায়ক থেকে খলনায়ক হলেন ইস্ট বেঙ্গল গোলরক্ষক প্রভশুখন গিল।গত বুধবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ‘মাস্ট উইন’ ম্যাচে শুরুতে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে নোয়া সাদাউয়ের শট রুখে দলের নিশ্চিত পতন আটকান লাল-হলুদ দুর্গপ্রহরী। অথচ ম্যাচের ৪২ মিনিটে সেই নোয়ার কাছেই বশ মানলেন প্রভসুখন। বক্সের বাঁ দিক থেকে মরক্কান স্ট্রাইকারের শট প্রথম পোস্ট দিয়েই গোলে ঢোকে। ইস্ট বেঙ্গল গোলরক্ষক তখন স্থাণুর মতো দাঁড়িয়ে। নোয়ার এই গোলের সুবাদে পাঁচ ম্যাচ পর জয়ের পথে ফিরল এফসি গোয়া। আর অ্যাওয়ে ম্যাচে হেরে সুপার সিক্সের আশা আরও কমল ইস্ট বেঙ্গলের।
১৮ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে নবম স্থানেই রইল ইস্ট বেঙ্গল। আর জিতে চতুর্থ স্থানে উঠে এল গোয়া। প্রথম লেগে গোয়ার বিরুদ্ধে লিড নিয়েও রক্ষণের ব্যর্থতায় ডুবতে হয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। তবে সুপার সিক্সের আশা বাঁচিয়ে রাখতে বুধবার জয় ছাড়া কোনও বিকল্প ছিল না ইস্ট বেঙ্গলের সামনে। দুর্গ অক্ষত রাখতে জোড়া বিদেশি ডিফেন্ডারে দল সাজান কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। পান্টিকের সঙ্গে প্রথমবারের জন্য শুরু করেন হিজাজি। তবে লাল-হলুদ দুই বিদেশি ডিফেন্ডারের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব ছিল সুস্পষ্ট।
সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ১২ মিনিটে গোয়াকে এগিয়ে দিতে পারতেন নোয়া সাদাউ। কিন্তু দু’টি পোস্ট ওপেন পেয়েও তিনি বিপক্ষ গোলরক্ষককে হার মানাতে ব্যর্থ। এই পর্বে ইস্ট বেঙ্গল ডিফেন্স বারবার চাপের মুখে পড়ে। ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করে ৪২ মিনিটে দলকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন নোয়া। ইয়াসিরের পাস ধরে বাঁ পায়ের দুরন্ত শটে জাল কাঁপান তিনি । এদিনও রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ দেখিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন স্প্যানিশ কোচ। শেষের দিকে উদান্তার হেড পোস্টে না লাগলে ইস্ট বেঙ্গলের লজ্জা আরও বাড়ত।






