কাজের ফাঁকে কাগজে নিয়মিত আঁকিবুঁকি কাটেন, জানেন কী হয়?
Do you know what happens when you regularly scribble on paper at work?

The Truth Of Bengal, Mou Basu: কাজের ফাঁকে কাগজে অনেকেরই আঁকিবুঁকি কাটার স্বভাব রয়েছে। অনেকে নিয়মিতই আঁকিবুঁকি কেটে থাকেন কাগজে। রোজ এটা করলে কী হয় জানেন?
১) কাগজে আঁকিবুঁকি কাটলে বা ছবি আঁকলে মস্তিষ্ক স্টিমিউলেট হয়। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আঁকলে মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটারে সার্বিক বৃদ্ধি ঘটে। মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে অবশ্যই আঁকুন।
২) আঁকলে কল্পনাশক্তি বাড়ে। শৈল্পিক চেতনা ও চিন্তাধারার উন্মেষ ঘটে। নিজের ভাব প্রকাশ করা যায় অনেক সহজে।
৩) আঁকিবুঁকি কাটলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আঁকাজোকা করা অ্যালঝাইমার্সের বা স্মৃতিভ্রংশ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পক্ষে খুবই উপকারী।
৪) আঁকা আমাদের মস্তিষ্ককে ‘মেন্টাল স্টোরেজ স্কিল’ বা মনে রাখার ক্ষমতাকে কাজে লাগাতে শেখায়। অবচেতন মনে আমরা যখন কোনো ঘটনাকে ভিজ্যুয়ালি মনে করি তখন আদতে তা আমাদের মনে রাখার ক্ষমতাকেই বাড়িয়ে তোলে।
৫) আঁকার মাধ্যমে আমরা আবেগের প্রকাশ করি। নিজের মনের ভাব অন্যদের কাছে ব্যক্ত করি। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বাড়িয়ে তুলতে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কার্যকরী। নেতিবাচকতা থেকে দূরে সরিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ও আবেগের প্রকাশ ঘটাতে সাহায্য করে আঁকা।
৬) আঁকলে ফিল গুড হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। মানুষ রিল্যাক্স থাকে। ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়।
৭) আঁকার অভ্যাস মানুষকে চারপাশের পরিস্থিতি, পরিবেশের দিকে নজর রাখতে শেখায়। পর্যবেক্ষণ শক্তি মনঃসংযোগ বাড়িয়ে তোলে।
৮) আঁকলে ফিল গুড হরমোন ডোপামিনের নিঃসরণ হয়। আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা বোধ তৈরি হয়।
FREE ACCESS






