কলকাতা

শ্যামাপ্রসাদের আদর্শে চলবে রাজ্য সরকার, বাম-তৃণমূলকে তোপ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

বর্তমান রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং স্বামী প্রণবানন্দের স্বপ্ন ও বিচারধারার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।

Truth of Bengal: ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীতে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনের দলীয় অনুষ্ঠান থেকে এক বড় অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, বর্তমান রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং স্বামী প্রণবানন্দের স্বপ্ন ও বিচারধারার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৩৪ বছরের বাম আমল এবং ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় এই মহামানবের যে আত্মত্যাগ ও অবদানকে সুপরিকল্পিতভাবে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল, তা পুনরায় ফিরিয়ে এনে বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।

শ্যামাপ্রসাদের এই ১২৫তম জন্মবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে সোমবার বিকেল ৩টের সময় একযোগে রাজ্যের প্রতিটি জেলা, মহকুমা, ব্লক এবং পুরসভাগুলোতে সরকারি ও বেসরকারি স্তরে বিশেষ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। তবে এই উদযাপনের মূল কেন্দ্রবিন্দু থাকছে কলকাতা। নিউটাউনের ইকোপার্ক সংলগ্ন এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একটি ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তির ‘ভূমিপূজন’ করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর মিলন মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানেও বক্তব্য রাখবেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে, ১৯৪৭ সালের ২০ জুন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একক দূরদর্শিতা ও লড়াইয়ের ফলেই আজকের পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছিল, যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জানা অত্যন্ত জরুরি। ওপার বাংলার (বাংলাদেশ) বর্তমান পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই মহামানব না থাকলে আজ আমাদের আগের পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশে থাকতে হতো এবং সেখানে থাকলে সনাতনীদের কী পরিণতি হতো, তা সবাই দেখছেন। তিনি জানান, স্কুলের প্রার্থনায় যেমন ‘বন্দে মাতরম’ বলা হয়, তেমনই ঘরে ঘরে তাঁর আদর্শ পূজিত হবে। এদিনের কর্মসূচিতে মুরলীধর সেন লেনের মঞ্চে রাহুল সিনহা, লকেট চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং তাপস রায় শ্যামাপ্রসাদের স্মৃতিবিজড়িত ভবানীপুরের ঐতিহ্যবাহী মিত্র ইনস্টিটিউশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

Related Articles