Suvendu Adhikari: “মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীরে যাবেন না”, ফের কুমন্তব্য শুভেন্দুর
His controversial remarks clash with CM Mamata Banerjee's assurance of security in the valley.
দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বরাবরই বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য জনপ্রিয় ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুসলিমদের নিয়ে এর আগে বহুবার তিনি এমন মন্তব্য করেছিলেন যে গোটা রাজ্যে হইচই পড়ে গিয়েছিল। এবারও সেই একই কাজ করলেন নন্দীগ্রাম বিধায়ক। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে কাশ্মীর মুসলিম অধ্যুষিত এবং সেখানে বাঙ্গালীদের যাওয়া একেবারেই ঠিক হবে না।
[আরও পড়ুন: Hatkeshwar Bridge: বেহাল অবস্থায় ৪২ কোটির সেতু, প্রশ্নের মুখে বিজেপি সরকার]
পহেলগাঁওয়ে ভারতীয় পর্যটকদের উপর পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলা ও হত্যার ঘটনা প্রকাশে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছিল গোটা ভারতবর্ষে। বলা ভালো, এখনো সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলায় আসেন উপত্যকার মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ এবং নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যবাসীদের ভয় না পেয়ে কাশ্মীরে আসার কথা বলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই দাবি করেন যে সেখানকার প্রশাসন নিরাপত্তা দেবে এবং সেক্ষেত্রে কোন ভয় নেই কাশ্মীর যাওয়াতে।
এরপরই বিতর্কিত মন্তব্য উঠে আসে শুভেন্দু অধিকারীর তরফ থেকে। এক সাক্ষাৎকার তিনি কাশ্মীর যাওয়া প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য রাখেন। নন্দীগ্রাম বিধায়ক বলেন, “বাঙালিরা কাশ্মীরে যাবেন না। ওখানে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি। বরং জম্মু, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ওড়িশা যান। এটা একজন বিধায়ক হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বলছি। প্রাণ সবার আগে। নিজেদের সন্তানদের জীবনের কথা ভেবে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় যাবেন না।” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নিন্দার বন্যা। সকলেই দলের আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। নিজেদের এক্স হ্যান্ডেল থেকে তীব্র নিন্দা করে তৃণমূল কংগ্রেস (Suvendu Adhikari)।
[আরও পড়ুন: Santipur: নিজের স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা, পদ খোয়ালেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি]
রাজনৈতিক মহলের একাংশ আবার বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখছেন। অনেকে মনে করছেন যে সদ্য নয়া রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মুসলিমদের সঙ্গে নিয়ে লড়াই করার বার্তা দিয়েছেন, সেখানে বিরোধী দলনেতার এমন বিতর্কিত মন্তব্য বড় চাপে ফেলবে বঙ্গ বিজেপিকে। শুধু তাই নয়, একাংশ আবার এটাও মনে করছেন যে বাংলায় এখন থেকেই একটা নির্বাচনী আবহাওয়া তৈরি হয়েছে আর সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর এমন কুমন্তব্য পরিস্থিতি উগ্র করে তুলতে পারে। এবার দেখার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে কিভাবে এই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট করা হয়। কি হয় আগামী দিনে, সেটাই এখন দেখার (Suvendu Adhikari)।






