MGNREGA: বড় জয় তৃণমূলের! ১০০ দিনের কাজের বকেয়া মেটাতে কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
শীর্ষ আদালত স্পষ্টভাবে কেন্দ্রকে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার এবং গরিব মানুষের আর্থিক সচলতা বজায় রাখতে কাজ দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
Truth of Bengal: ১০০ দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পে বকেয়া অর্থ প্রদান এবং দ্রুত কাজ চালু করার বিষয়ে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের পক্ষে এক বড় জয় আসার পর এবার সেই প্রকল্প দ্রুত শুরু করতে তৎপর হলো রাজ্য সরকার। শীর্ষ আদালত স্পষ্টভাবে কেন্দ্রকে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার এবং গরিব মানুষের আর্থিক সচলতা বজায় রাখতে কাজ দিতে নির্দেশ দিয়েছে। এই রায়ের ফলে গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পটি পুনরায় চালু হওয়ার মুখে।
তবে এই পথে সামান্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ দিনের কাজ সংক্রান্ত বেশ কিছু মামলা, যা এখনও কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন। এই মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি চাইতেই মঙ্গলবার রাজ্য সরকার হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে দ্রুত শুনানির জন্য। জানা গিয়েছে, আগামী ৭ নভেম্বর এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
গরিব মানুষের রোজগারের ধারা বজায় রাখতে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া আদায়ের জন্য রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছে। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে ২০২৩ সালের অক্টোবরে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সাংসদ ও শ্রমিকরা দিল্লির কৃষি ভবন অভিযান করেন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বদলে প্রতিমন্ত্রী সাক্ষাৎ করতে এলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেইদিন দিল্লি পুলিশ সাংসদদের উপর নজিরবিহীন ‘অত্যাচার’ করে বলে অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল হয়।
সোমবারের সুপ্রিম কোর্টের রায়কে তৃণমূল তাদের সেই আন্দোলনের বড় জয় হিসেবে দেখছে। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা এবং সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। তাঁরা প্রত্যেকেই সেদিনের দিল্লির ঘটনার কথা স্মরণ করে ফের একবার প্রতিবাদে মুখর হন।
পঞ্চায়েত মন্ত্রীরা অভিযোগ তোলেন, বাংলার গরিব মানুষকে বঞ্চিত করার ‘ষড়যন্ত্র’ চলেছিল। সাংসদ বীরবাহা হাঁসদা ও প্রতিমা মণ্ডল বলেন, “২০২৬ সালের ভোটে বিজেপিকে এর জবাব মানুষ দেবে।” তাঁরা আরও জানান, হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি হলে প্রকল্পের কাজে গতি আসবে, তাই রাজ্য সরকারের তরফে ত্বরিত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে।






