
The Truth of Bengal: মাত্র এক মাসেই আক্রান্ত ১০ হাজার যা দেখে স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে ডেঙ্গি কিরকম ব্যাপক হারে বাড়ছে। গবেষণায় জানা গিয়েছে ডেঙ্গির চারটি প্রজাতির মধ্যে ডেন ৩এর প্রকোপ এখন সব থেকে বেশি। যে কারণে সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়লেও সংকটজনক রোগীর সংখ্যা কম। কারণ ডেন৩ তেমন আশঙ্কাজনক নয়। তবে ডেঙ্গি প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর কলকাতা বাসী। দমদম দক্ষিণ দমদম বিধান নগর হাওড়া পুরসভার এলাকায় বাড়ি বাড়ি লোক যায় সতর্ক করে প্রয়োজনে কারোর জ্বর হলে রোগীদের রক্তে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
বরাহনগর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তিনি জানিয়েছেন, ওয়ার্ডে ভিজিটের সময়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা লক্ষ্য রাখে কারও তিন দিনের বেশি জ্বর থাকার কথা জানতে পারলে স্বাস্থ্য বিভাগকে খবর দেন। এরপরে বাড়ি গিয়ে রক্ত সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়। ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার রিপোর্ট পজ়িটিভ এলে যাবতীয় ব্যবস্থা পুরসভার তরফে করা হয়। কলকাতা পুরসভার মুখ্য পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাসের বক্তব্য, ‘শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। সব ওয়ার্ডের বাসিন্দাই হাঁটা দূরত্বে নাগালে পেয়ে যাবেন পুর ক্লিনিক। সেখানে বিন্যামূলে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার টেস্ট করা হয়।
পাশাপাশি, কারও ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়া হলে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি টেলি-কলিংয়ের মাধ্যমে আমরা পাশে থাকি। কোনও প্রবীণ রক্ত পরীক্ষার অনুরোধ জানালে অবশ্যই তাঁর বাড়িতে গিয়ে রক্ত নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্তা। এই রাজ্যে কলকাতা পুরসভাই প্রথম বাড়িতে গিয়ে প্রবীণদের করোনার টিকাকরণের ব্যবস্থা করেছিল।






