
The Truth of Bengal: বাকিবুর মডেলে রেশন বেনিয়মের বিশাল সাম্রাজ্য গড়া হয়েছে বলে ইডির ধারণা। চাল-গম চোরাপথে বেচার মতোই পরিমাণ কমিয়ে বেচাকেনার মারপ্যাঁচ ধরতে তত্পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই দুর্নীতির সমান্তরাল কারবারের শিকড় কোথায় ছড়িয়ে আছে,তা হণ্যে হয়ে খুঁজছে ইডির কর্তারা।বাকিবুরের সঙ্গে মন্ত্রী বালু ওরফে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। এই অবস্থায় তদন্তে গতি বাড়াতে রেশন দুর্নীতি মামলায় আইনজীবী বদল করেছে ইডি। ইডির হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন নতুন আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী। গত শুনানিতে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে মামলায় ইডির আইনজীবী ছিলেন ফিরোজ় এডুলজি।
এরমধ্যে ধারাবাহিক তল্লাশিতে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে জানানো হয়েছে। ৪ তারিখ, শনিবার কাকভোরে বনগাঁর কালুপুরের রাধাকৃষ্ণ ফ্লাওয়ার মিলে হানা দেয় ইডি। মিলের মালিক মন্টু সাহা এবং কালীদাস সাহা কোরার বাগানের বাড়িতেও যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দুই ব্যবসায়ী প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ‘ঘনিষ্ঠ’ বলেই মনে করছে ইডি। সূত্রের খবর, সেই মিল থেকে রেশনে আটা এবং চাল যেত। বনগাঁর পাশাপাশি নদিয়ার রানাঘাটেও ব্যাপক তল্লাশি ইডির।
সেখানকার এক চালকলে অভিযান চালান ইডি আধিকারিকরা।৫তারিখেও অভিযান চালিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকা উদ্ধার করে তদন্তকারী আধিকারিকরা।ইডির অনুমান, আরও অর্থের হদিশ মিলবে। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান এবং তাঁর সহযোগীদের গুদামে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক ডায়েরি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। সেইসব ডায়েরিতে রয়েছে নানা হিসেবনিকেশ। সেই তথ্য ঘেঁটে অর্থ উদ্ধার হওয়ার সম্ভব বলেও আশায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা।আর বিপুল অঙ্কের অর্থের উত্স আর দেওয়া-নেওয়ার অঙ্ক মেলানোই এখন বড় কাজ হয়ে উঠেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের।
Free Access






