হালিশহরে এবার শুভেন্দু! কাস্টডিতে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের পাশে মুখ্যমন্ত্রী
ঘটনার পরদিনই, সোমবার সকালে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Truth of Bengal: কাঁচড়াপাড়ায় পুলিশি হেফাজতে তৃণমূল কর্মী বীরজু কেওটের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ চরমে পৌঁছেছে। রবিবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা, জুতো ও পাথর ছোড়া হয় এবং ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশ ও বিজেপি সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ জানান, পুলিশ সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা না দিয়ে দুষ্কৃতীদের সুরক্ষা দিচ্ছে এবং সমগ্র রাজ্য এখন দুষ্কৃতীদের হাতে চলে গিয়েছে।
ঘটনার পরদিনই, সোমবার সকালে নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়, নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিংহ, বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকারসহ শীর্ষ নেতৃত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিহতের বাড়ির সামনে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর হালিশহর থানাতেও পরিদর্শনের কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামী বীরজু কেওটের পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে পরিবারের অভিযোগ, লকআপে মারাত্মক শারীরিক নির্যাতনের ফলেই এই মৃত্যু ঘটেছে। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এলাকা উত্তপ্ত করতে গিয়েছিলেন যার ফলে সাধারণ মানুষের জনরোষ তৈরি হয়। তবে শুভেন্দু মন্ত্রিসভার সদস্য অগ্নিমিত্রা পাল ঘটনাটির সমালোচনা করে জানান, মতবিরোধ থাকলেও একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি জুতো বা কাদা ছোড়া সমর্থনযোগ্য নয়।






