
The Truth Of Bengal : বুধবার রাতে হার্দিক পাণ্ড্যদের ৩১ রানে হারিয়ে চলতি আইপিএলে প্রথম জয়ের মুখ দেখলেন প্যাট কামিংসরা। প্রথমে ব্যাট করে আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তুলেছিল হায়দরাবাদ। ২৭৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে ২৪৬ রানেই থেমে গেল হার্দিকদের লড়াই। অধিনায়কের জোড়া ভুলের খেসারত দিতে হল তারকা-খচিত মুম্বইকে।
হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ট্র্যাভিস হেড, অভিষেক শর্মা, আইডেন মার্করাম ও হাইনরিখ ক্লাসেনদের ব্যাটিং তাণ্ডবে ২৭৭ রান তুলেছিল হায়দরাবাদ। ওই রানের পাহাড় টপকাতে গেলে একটা বড় রানের জুটির প্রয়োজন ছিল মুম্বইয়ের। কিন্তু নমন ধীর ও তিলক ভার্মা ছাড়া আর কেউ বড় রানের জুটি গড়তেই পারলেন না। ২৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে শুরুতেই আগ্রাসী মেজাজে ব্যাটিং করতে শুরু করেন রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশন। চতুর্থ ওভারেই মারমুখী ঈশানকে (১৩ বলে ৩৪) ফিরিয়ে ধাক্কা দেন শাহবাজ আমেদ। পরের ওভারে রোহিতকে (২৬) ফেরান হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিংস।
তৃতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে হায়দরাবাদের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন নমন ধীর ও তিলক ভার্মা। দুজনে বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করে রান রেট সচল রাখেন। দলকে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। ১১তম ওভারে বল করতে এসে ধীরকে (৩০) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জয়দেব উনাদকট। এর পরে জুটি বাঁধেন তিলক ও মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক। দুজনে মারমুখী মেজাজে ২১ বলে ৩২ রান যোগ করেন। দুরন্ত মেজাজে ব্যাট করতে থাকা তিলককে ফিরিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন কামিংস। ৩৪ বলে ২টি চার ও ছয়টি ছক্কার সাহায্যে ৬৪ রান করে ফেরেন তিলক। তার পরে মুম্বইয়ের রান তোলার গতি খানিকটা শ্লথ হয়ে পড়ে। চাপে পড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে উনাদকটের বলে সাজঘরে ফিরে যান হার্দিক (২৪)। অধিনায়ক সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পরে মুম্বইয়ের জয়ের জন্য দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ৫৪ রান। কার্যত হার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ততক্ষণে। শেষ পর্যন্ত শেষ দুই ওভারে মাত্র ২২ রান তুলতে সক্ষম হন টিম ডেভি ও রোমারিও শেফার্ড।






