Philippines: দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসন মোকাবিলা! ২৯০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি মোতায়েন করল ম্যানিলা
শুক্রবার ফিলিপিন্স মেরিন কর্পসের ৭৫তম বার্ষিকীতে প্রথম ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারির একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
Truth of Bengal: ভারত থেকে কেনা ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে মোতায়েন করেছে ফিলিপিন্স। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের এবং দেশের মাটিতে সমরাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে এক বিরাট সাফল্য। শুক্রবার ফিলিপিন্স মেরিন কর্পসের ৭৫তম বার্ষিকীতে প্রথম ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারির একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এই ঘটনা ফিলিপিন্সের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং সামরিক বাহিনীর আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতিকে তুলে ধরে।
জানা গেছে, প্রথম ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারিটি পশ্চিম লুজনে মোতায়েন করা হয়েছে এবং এটি মেরিনস কোস্টাল ডিফেন্স রেজিমেন্টের অ্যান্টি-শিপ মিসাইল ব্যাটালিয়ন দ্বারা পরিচালিত হবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। মূলত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা আগ্রাসন মোকাবিলায় নিজেদের বাহিনীর ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ফিলিপিন্স এই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
দক্ষিণ চীন সাগরের কর্তৃত্ব নিয়ে ফিলিপিন্স ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। বিশেষ করে স্কারবরো শোল (Scarborough Shoal) দ্বীপ নিয়ে ম্যানিলা এবং বেইজিংয়ের সমস্যা একসময় প্রায় যুদ্ধের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল। বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিচালিত হয়, তাই চীনের জন্য এই এলাকার কর্তৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শোল দ্বীপের দখল চীনের হাতে চলে যাওয়ার পরই ম্যানিলা ভারতের সঙ্গে সমরাস্ত্র কেনার এই চুক্তিটি চূড়ান্ত করে।
২০২২ সালে ম্যানিলা এবং নয়াদিল্লির মধ্যে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৩,১০০ কোটি টাকা) একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় ফিলিপিন্স ভারতের সুপারসনিক জাহাজ-বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি ব্যাটারি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।এছাড়াও, ফিলিপিন্স আরও সামরিক সরঞ্জাম কেনার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে রয়েছে মাল্টি-লঞ্চ রকেট সিস্টেমের ৫০টি ব্যাটারি, উপকূল থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং জাহাজ ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র। এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।






