বিদ্যুৎ বিল না মেটানোর ঘটনায় আলোচনার কেন্দ্রে তেজপ্রতাপ যাদব
বিদ্যুৎ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২০ জুলাই শেষবার ওই বাড়ির জন্য বিল পরিশোধ করা হয়েছিল।
Truth Of Bengal: বিহারে ফের বিতর্কে জড়ালেন লালুপ্রসাদ যাদবের জ্যেষ্ঠপুত্র তেজপ্রতাপ। তাঁর ব্যক্তিগত বাংলোর বিদ্যুৎ বিল না মেটানো নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। বিহারের পাটনার বেউর এলাকায় অবস্থিত তাঁর বাড়িতে গত তিন বছর ধরে বিদ্যুতের বিল বকেয়া রয়েছে বলে বিদ্যুৎ দফতরের নথিতে উঠে এসেছে। বিদ্যুৎ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২০ জুলাই শেষবার ওই বাড়ির জন্য বিল পরিশোধ করা হয়েছিল। সেবার জমা পড়েছিল ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৯৯ টাকা। তার পর থেকে ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কোনও বিল মেটানো হয়নি। এই সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার চললেও টাকা জমা না হওয়ায় বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ ৬১ হাজার টাকায়।
নথি অনুযায়ী, তেজপ্রতাপ যাদবের নামে ওই এলাকায় একটি তিন-ফেজ বিদ্যুৎ সংযোগও রয়েছে, যেখানে মূল বকেয়া ২ লক্ষ ৩০ হাজার ১৬০ টাকা এবং বিলম্ব ফি হিসেবে আরও ২৩,৬৮১ টাকা ধার্য হয়েছে। সব মিলিয়ে এই সংযোগে বকেয়া প্রায় ৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৯৭৪ টাকা।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে, এত বড় অঙ্ক বকেয়া থাকা সত্ত্বেও কেন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়নি। বিদ্যুৎ দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, পোস্টপেইড সংযোগে বকেয়া ২৫ হাজার টাকা ছাড়ালেই সংযোগ কেটে দেওয়ার কথা। সেখানে তিন লক্ষ টাকার বেশি বকেয়া থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সংযোগ চালু থাকল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিদ্যুৎ সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে।
এ ছাড়াও বিহারে যেখানে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার বসানোর কথা, সেখানে তেজপ্রতাপের বাংলোয় এখনও পোস্টপেইড মিটার চালু থাকার বিষয়টিও নজর কেড়েছে। বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল নাকি দফতরের গাফিলতি—তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে বিহারের রাজনীতিতে।এই বিষয়ে বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে জানা গেছে, বকেয়া টাকা উদ্ধারে আইনি পদক্ষেপ ও রিকভারি প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত তেজপ্রতাপ যাদব বা তাঁর দফতরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।






