
The Truth Of Bengal: কর্ণাটকে বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক পড়ে যায়।জগদীশ শেট্টার গেরুয়া ত্যাগ করে কংগ্রেসের হাত ধরেন।বিধানসভায় ভরাডুবি হয় বিজেপির।এবার লোকসভায় বিজেপিতে বিবাদ বাড়ছে।টিকিট না পেয়ে দল ছাড়ার হুঁশিয়ারি সদানন্দ গৌড়ার।প্রবীণ নেতাদের বিজেপি ছাড়ার ট্রেন্ড বাড়ায় দক্ষিণের রাজ্যে কংগ্রেসের হাত আরও শক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কর্ণাটক, তেলেঙ্গানায় শক্তি ক্ষয়ের মাঝে অন্ধ্রে বিজেপির চন্দ্রবাবুর হাত ধরার কৌশল কী কাজ দেবে উঠছে প্রশ্ন।
একসময় বলা হত বিজেপি উত্তরভারতের পার্টি। মূলতঃ হিন্দিবলয়েই গেরুয়া কমলের রমরমা দেখা যায়। বিহার-উত্তরপ্রদেশ-মধ্যপ্রদেশ-রাজস্থান,হিমাচল প্রদেশে বরাবর বিজেপি দাপট দেখিয়ে এসেছে। উত্তরভারতের পার্টির তকম ঘোচাতে দক্ষিণে পদ্ম শিবির রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে নজর দেয়।সফলও হয় বিজেপি।ইয়েদুরাপ্পার নেতৃত্বে সরকারও গড়ে তারা।কিন্তু দেখা যায়, কর্ণাটকের গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি হেরে যায়। ক্ষমতা হারিয়েও গেরুয়ার তাল ঠোকাঠুকি থামছে না।
- দক্ষিণে বিজেপির ঘরোয়া বিবাদ চরমে
- দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর বিদ্রোহ বাড়ছে
- প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী কে এস ঈশ্বরাপ্পা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন
- ঈশ্বরাপ্পার মতোই সদানন্দ গৌড়াও অসন্তুষ্ট
- দল ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে চাপ বাড়িয়েছেন
বিজেপির এই কলহের মাঝে কংগ্রেসের স্ট্যাটেজি হল, দলিত মল্লিকার্জুন খড়্গে, ভোক্কালিগা সমাজের নেতা ডি কে শিবকুমার ও ওবিসি নেতা সিদ্দারামাইয়াকে সামনে রেখে বিজেপির অস্তিত্ব মুছে দেওয়া। আর বিজেপি নেতৃত্বের একটা বড় অংশের মতে, কংগ্রেসের এই জাতপাতের সমীকরণকে নস্যাৎ করে দলকে যদি কেউ ক্ষমতায় টিঁকিয়ে রাখতে পারেন, তিনি হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। কিন্তু ৭৯বছরের প্রবীণ ও প্রভাবশালী ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘনঘটা বেড়ে চলায় বিজেপির রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ যে বাড়ছে তা নিশ্চিত পর্যবেক্ষকরা।
- বিধানসভা ভোটের ফলাফলের দিকে চোখ দেওয়া যাক
- কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থীরা জেতে ১৩৫টি আসনে
- বিজেপির দখলে যায় কর্ণাটকের ৬৬টি আসন
- কংগ্রেসের ভোট শেয়ার ছিল-প্রায় ৪৩শতাংশ
- বিজেপিকে সমর্থন করে প্রায় ৩৬শতাংশ মানুষ
এই ভোট শেয়ার নিয়ে কী বিজেপি চব্বিশের প্রেস্টিজ ফাইটে জিততে পারবে।মোদি ইমেজ কী তাঁদের ডিভিডেন্ড দেবে নাকি কংগ্রেসের ঝুলি ভরাবে,উত্তরটা ফলাফলে স্পষ্ট হবে।






