karnataka: দোষী সাব্যস্ত হলেন ডেভেগৌড়ার নাতি, প্রজ্বল রেভান্নার যাবজ্জীবন সাজা
পাশাপাশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা তাদের যে রিপোর্ট দিয়েছিল সেখান থেকে সমস্ত কিছুই রেভান্নার বিরুদ্ধে যায়।
Truth of Bengal: ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষিত হল কর্নাটকের প্রাক্তন সাংসদ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবগৌড়ার নাতি প্রজ্জ্বল রেভান্নার বিরুদ্ধে। বেঙ্গালুরুর একটি বিশেষ আদালত শনিবার তাঁর বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করে। পাশাপাশি আদালত তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাও দিতে নির্দেশ দিয়েছে।(karnataka)
প্রজ্জ্বলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তাঁর বাড়ির পরিচারিকাদের টানা তিন বছর ধরে যৌন হেনস্থা করেছেন। একাধিক অশ্লীল ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। সোরগোল শুরু হতেই তদন্তে নামে পুলিশ। রেভান্নার বিরুদ্ধে বেশ কিছু প্রমাণ আদালতে জমা পড়েছিল। পাশাপাশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা তাদের যে রিপোর্ট দিয়েছিল সেখান থেকে সমস্ত কিছুই রেভান্নার বিরুদ্ধে যায়। ঘটনাস্থল থেকে সিআইডি-র বিশেষ দল যে ১২৩টি প্রমাণ জোগাড় করে সেই তথ্য আদালতে জমা দেয়। এরপরই তারা রেভান্নার বিরুদ্ধে ২ হাজার পাতার চার্জশিট দাখিল করা হয়।( karnataka)
[আরও পড়ুনঃ Haldia Murder: হলদিয়ায় মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের সাজা ঘোষণা, কী বলল আদালত?]
এই মামলার শুনানি শুরু হয় ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বিগত সাত মাসে এই মামলাতে ২৩ জন সাক্ষীর বয়ান আদালত নথিভুক্ত করেছে। সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন রেভান্না। শনিবার এই মামলায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিল আদালত। অন্যদিকে শনিবার আদালতে নিজের সাফাইয়ে রেভান্না দাবি করেন, তিনি নির্দোষ। তিনি বলেন, ‘ রাজনীতিতে দ্রুত উন্নতির জন্যই আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। ওরা বলছে আমি একাধিক মহিলাকে ধর্ষণ করেছি। অথচ, কেউই নিজের ইচ্ছায় অভিযোগ করতে আসেননি। ভোটের মাত্র ছ’দিন আগে তাঁদের দিয়ে এই অভিযোগ করানো হয়েছে।’ তবে রেভান্নার দাবিকে গ্রাহ্য না করে রায়দান করল আদালত।( karnataka)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে কর্নাটকের হাসন কেন্দ্র থেকে জেডি(এস)-এর টিকিটে লড়েন রেভান্না। ভোটের মুখে একটি পেনড্রাইভ প্রকাশ্যে আসে, যাতে রেভান্নার বিরুদ্ধে একাধিক যৌন হেনস্থার ভিডিয়ো ছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পরেই জেডি (এস) তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এমন অপরাধে কড়া শাস্তি ছাড়া বিকল্প নেই। প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রাক্তন সাংসদকে দোষী প্রমাণ করতে কোনও অসুবিধা হয়নি বলে জানান বিচারক সন্তোষ গজানম ভাট। দেশের রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে কীভাবে অপরাধ চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, সেটাও উঠে এসেছে তদন্তে।






