দেশ

২০২৯-এর আগেই সুখবর! দিল্লি থেকে বড় বার্তা মমতার, ১৫০ আসনে ‘ভোটলুঠে’র দাবি অভিষেকের

"আমার ঘনিষ্ঠ নেতাদের পুলিশ ভয় দেখাচ্ছে!", এবার রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

Truth of Bengal: গত মে মাসের ঐতিহাসিক বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় দাপুটে জয় পেয়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে পরাজয়ের শোকে মুহ্যমান কালীঘাট শিবির। এবার দিল্লির মাটিতে বসে নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন যে, ২০২৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না, তার আগেই নাকি কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার পড়ে যাবে!

সংবাদ সম্মেলনে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে নাকি অন্তত ১৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘ভোট লুট’ করা হয়েছে! এমনকি ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের পরাজয়ের পেছনে ইভিএম (EVM) হ্যাকিং ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভয় দেখানোর আজব তত্ত্ব খাঁড়া করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করে তাঁর অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি, সিইসি-র আইনি রক্ষাকবচ প্রদানকারী ২০২৩ সালের আইনটিকে অবৈধ বলে দাগিয়ে দেন তিনি।

অন্যদিকে, মমতাকে সমর্থন জোগাতে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, নাকি এসআইআর (SIR)-এর কারণে বাদ পড়া ভুয়ো ভোটারদের সংখ্যার জোরেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে ভোটারদের নাম ছাঁটাইকে ‘ভোট চুরি’ আখ্যা দিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের পুরনো দাবি জানাতে শুরু করেন তিনি।

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে নিজেদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে ও জনরোষ থেকে বাঁচতে তৃণমূলের একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন। সেই প্রসঙ্গে পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধেই তোপ দেগে অভিযোগ করেন যে, পুলিশ তৃণমূল নেতাদের ভয় দেখিয়ে বিরোধী শিবিরে যোগ দিতে বাধ্য করছে!

Related Articles