Indian Army: ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ১ লক্ষ ড্রোন যোদ্ধা, আত্মপ্রকাশ ‘ভৈরব’ বাহিনীর
সেনাবাহিনীর সাধারণ পদাতিক বাহিনী (Infantry) এবং তুখোড় প্যারা স্পেশাল ফোর্সের (Para SF) মধ্যবর্তী ফাঁক পূরণ করতে এই ‘লাইট কমান্ডো’ বাহিনী বা ভৈরব ব্যাটালিয়ন তৈরি করা হয়েছে।
Truth of Bengal: একুশ শতকের হাইব্রিড যুদ্ধের মোকাবিলায় এবং আধুনিক সমরাস্ত্রের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এক আমূল পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তনশীল রণকৌশলকে গুরুত্ব দিয়ে সেনাবাহিনীতে ১ লক্ষেরও বেশি ড্রোন চালকের (Drone Operatives) একটি বিশাল বাহিনী তৈরি করা হয়েছে। একইসঙ্গে গঠন করা হয়েছে এক নতুন বিশেষ বাহিনী— ‘ভৈরব’ (Bhairav) ব্যাটালিয়ন। সেনাবাহিনীর সাধারণ পদাতিক বাহিনী (Infantry) এবং তুখোড় প্যারা স্পেশাল ফোর্সের (Para SF) মধ্যবর্তী ফাঁক পূরণ করতে এই ‘লাইট কমান্ডো’ বাহিনী বা ভৈরব ব্যাটালিয়ন তৈরি করা হয়েছে। এই বাহিনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ড্রোন প্রযুক্তি নির্ভরতা। প্রতিটি সেনাকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা ড্রোনের মাধ্যমে শত্রুশিবিরের গভীরে নিখুঁত আঘাত হেনে পরিকাঠামো ধ্বংস করতে পারে।
#WATCH | Nasirabad, Rajasthan | Indian Army creates a pool of over one lakh drone operatives across the force, including its newly raised Special Force, Bhairav, to meet modern warfare challenges.
These operatives are trained to handle drones and use them in real operations to… pic.twitter.com/ORWzsEkzoS
— ANI (@ANI) January 4, 2026
সেনা সদর দফতর ইতিমধ্যেই এই ধরণের ১৫টি ব্যাটালিয়ন সক্রিয় করেছে এবং আগামী দিনে এর সংখ্যা ২৫-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কৌশলগতভাবে এই ইউনিটগুলিকে উত্তর ও পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। সাউদার্ন কমান্ডের অধীনে মরুভূমি অঞ্চলে কাজ করা ইউনিটগুলিতে ‘সন্স অফ দ্য সয়েল’ (Sons of the Soil) বা ভূমিপুত্র মডেল অনুসরণ করে রাজস্থানের স্থানীয় যুবকদের নিয়োগ করা হচ্ছে, যাতে তারা মরুভূমির আবহাওয়া ও দুর্গম ভূখণ্ডকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত অভিযান চালাতে পারে।
সম্প্রতি ‘এক্সারসাইজ অখণ্ড প্রহার’ (Exercise Akhand Prahar) নামক এক নিবিড় মহড়ার মাধ্যমে এই বাহিনীর সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। সাউদার্ন আর্মি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ এই মহড়া পর্যালোচনা করেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি জয়পুরে আয়োজিত ‘সেনা দিবস’ (Army Day) প্যারেডে ২ নম্বর ভৈরব ব্যাটালিয়ন, যাদের ডাকনাম ‘ডেজার্ট ফ্যালকনস’, প্রথমবার জনসমক্ষে আত্মপ্রকাশ করবে। সেনাবাহিনীর এই কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘রুদ্র ব্রিগেড’ (Rudra Brigade)-ও গঠন করা হয়েছে। এটি একটি সুসংহত যুদ্ধ ইউনিট যেখানে পদাতিক বাহিনী, ট্যাঙ্ক, কামান এবং ড্রোন প্রযুক্তিকে একই কমান্ডের অধীনে আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি আর্মর্ড কোর এবং মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রিকেও নজরদারি ড্রোন ও আধুনিক মারণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে।






