লঞ্চডুবিতে নিরাপত্তার গাফিলতির অভিযোগ, স্পীডবোট চালকের বিরুদ্ধে মামলা
Case filed against speedboat driver for alleged safety negligence in launch sinking
Truth of Bengal: গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া সংলগ্ন ফেরিঘাট থেকে এলিফ্যান্টা গুহা যাওয়ার পথে ঘটে দুর্ঘটনা। নৌসেনার স্পিড বোটের ধাক্কায় লঞ্চডুবিতে ১৩ জনের মৃত্যু। মামলা দায়ের স্পিডবোট চালকের বিরুদ্ধে। শোকপ্রকপ্রকাশ করে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর।
নৌসেনার স্পীড বোটের ধাক্কায় লঞ্চডুবিতে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। বুধবার মুম্বইয়ের গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়ার কাছে এই ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেখানেই দেখা যায় তীব্র গতিতে ছুটে আসা ওই স্পীড বোট নিয়ন্ত্রন হারিয়ে লঞ্চে ধাক্কা মারে। তারপরই সেটি কাত হয়ে জলে ডুবে যায় জলে।
নৌসেনা সূত্রে খবর, স্পীডবোটে ইঞ্জিনে গোলমালের কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার সময় লঞ্চে ১১০ জনের উপস্থিতির খবর পাওয়া যায়। তৎক্ষনাৎ উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় মাছ ধরার লঞ্চ, ১১টি বোট ও উপককূলরক্ষী বাহিনী। পরে উদ্ধারকাজে যোগ দয়ে চারটি হেলিকপ্টারও। দুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া যায়। তদন্তে নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ স্পষ্ট। কারণ যাত্রীদের অনেকের তরফ থেকে থেকে জানা যাচ্ছে প্রত্যেককে লাইফ জ্যাকেট দেওয়া হয়নি।
ইতিমধ্যেই মুম্বই পুলিশের তরফে নৌসেনার স্পীডবোট চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার এক বাসিন্দা ওই দুর্ঘটনাগ্রস্ত লঞ্চে ছিলেন। তিনি এই দুর্ঘটনার কারণে আহত হলেও প্রাণে রক্ষা পেয়ে যান। ওই ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্বপরিবারে উত্তরপ্রদেশের গাজীপুরের এক বাসিন্দা মুম্বই ঘুরতে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার পরিবারেরও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
ওই ব্যক্তির অভিযোগ, পরনে লাইফ জ্যাকেট না থাকার কারণেই এই মৃত্যু। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেন তিনি। আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথাও জানান তিনি।






