Atal Bihari Vajpayee: ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে অটলজিকে শ্রদ্ধা, লখনউতে ‘রাষ্ট্র প্রেরণা স্থল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
লখনউয়ের বসন্ত কুঞ্জ এলাকায় ৬৫ একর বিস্তৃত জমিতে নির্মিত এই স্মারকস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি সুউচ্চ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।
Truth of Bengal: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে লখনউতে রাষ্ট্র প্রেরণা স্থলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার এই জাতীয় স্মারকটি উৎসর্গ করা হয় বাজপেয়ীর জীবন ও আদর্শের প্রতি। লখনউয়ের বসন্ত কুঞ্জ এলাকায় ৬৫ একর বিস্তৃত জমিতে নির্মিত এই স্মারকস্থলে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি সুউচ্চ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।
এই স্মারকস্থলে অটল বিহারী বাজপেয়ী ছাড়াও ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। ৬৫ ফুটের এই ব্রোঞ্জ মূর্তিগুলো ভারতের জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার তিন প্রধান স্তম্ভের জীবন ও উত্তরাধিকারকে তুলে ধরে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথসহ একাধিক শীর্ষ নেতা।
রাষ্ট্র প্রেরণা স্থলের অন্যতম আকর্ষণ হল পদ্মফুলের আদলে তৈরি একটি অত্যাধুনিক মিউজিয়াম বা সংগ্রহশালা। প্রায় ৯৮ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই সংগ্রহশালাটি আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এখানে ভারতের জাতীয় অগ্রযাত্রা এবং এই তিন জননেতার রাজনৈতিক দর্শন ও জাতি গঠনে তাঁদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে। পর্যটকদের জন্য এখানে এক শিক্ষামূলক এবং নিমগ্ন অভিজ্ঞতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী মিউজিয়ামটি ঘুরে দেখেন। অনাড়ম্বর নেতৃত্ব এবং সুশাসনের যে আদর্শ এই নেতারা রেখে গিয়েছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের আগে সকালে অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে মোদী জানান যে, দেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে বাজপেয়ীর দেখানো পথ সর্বদা দিশারি হিসেবে কাজ করবে।






