সংসদে পৃথক কার্যালয় ও আসন পেল এনসিপিআই, লোকসভায় দলনেতা হচ্ছেন সুদীপ
সূত্রের খবর, লোকসভায় এনসিপিআই-এর সংসদীয় দলের রাশ থাকছে অভিজ্ঞ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই।
Truth of Bengal: তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়া দলত্যাগী সাংসদদের জন্য নতুন সংসদ ভবনে পৃথক কার্যালয় ও আসনের বন্দোবস্ত করা হলো। এই দলবদলের সৌজন্যেই এবার প্রথমবার সংসদে সম্পূর্ণ পৃথক দল হিসেবে লোকসভায় বসার সুযোগ পেল এনসিপিআই। সোমবার বিকেলে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রবীণ রাজনীতিক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকারের সঙ্গে এই বৈঠকে সুদীপের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অন্য এক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
সূত্রের খবর, লোকসভায় এনসিপিআই-এর সংসদীয় দলের রাশ থাকছে অভিজ্ঞ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই। তৃণমূলে দীর্ঘ বছর ধরে লোকসভার দলনেতা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, এবার এনসিপিআই-এর তরফেও তিনিই লোকসভার দলনেতা হতে চলেছেন। পাশাপাশি, তৃণমূলে থাকাকালীন কিছুদিনের জন্য লোকসভার মুখ্য সচেতকের দায়িত্ব সামলানো কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে এই নতুন দলেও মুখ্য সচেতকের (চিফ হুইপ) পদে বসানো হচ্ছে। এছাড়া লোকসভায় এনসিপিআই-এর উপ-দলনেতা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়।
আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলেছে সংসদের বহুপ্রতীক্ষিত বাদল অধিবেশন। তার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ১৯ জুলাই দলের সাংসদদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডেকেছে এনসিপিআই। সেখানেই এই নেতৃত্ব সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবটি গৃহীত হবে। একই দিনে কেন্দ্রের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও অংশ নেবেন দলের প্রতিনিধিরা। স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “সংসদে আমাদের সাংগঠনিক ও সংসদীয় অধিকার সুনিশ্চিত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে স্পিকার এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও আমাদের ইতিবাচক কথা হয়েছে। আসন্ন বাদল অধিবেশনে আমরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে অংশ নেব।”
উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন সাংসদকে নিয়ে গঠিত এনসিপিআই এবারই প্রথম পৃথক দল হিসেবে লোকসভায় নিজেদের আত্মপ্রকাশ ঘটাতে চলেছে। যেহেতু এই দলটি এনডিএ (NDA) জোটকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই লোকসভায় শাসক শিবিরের দিকেই তাদের বসার আসন নির্দিষ্ট হতে পারে। তবে কে কোন আসনে বসবেন, তা চূড়ান্তভাবে দলের পক্ষ থেকেই ঠিক করা হবে।


