দেশ

Airport Collapse: ভেঙে পড়ল নবনির্মিত বিমানবন্দরের ৫০০ কোটির প্রাচীর, প্রশ্নের মুখে বিজেপি সরকার

Questions arise over construction quality and oversight.

Truth Of Bengal: মাত্র একদিনের প্রবল বৃষ্টিতে ধসে পড়ল সদ্য নির্মিত মধ্যপ্রদেশের রেওয়া বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীর (Airport Collapse)। প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বিমানবন্দরটির উদ্বোধন হয়েছিল ২০২৪ সালে  অক্টোবরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এটি উদ্বোধ্ন করেন। আর উদ্বোধনের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এমন ঘটনা ঘিরে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন বিমানবন্দরের নির্মাণ মান কি আদৌ যথাযথ ছিল?

জানা গিয়েছে টানা ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিতে বিমানবন্দর সংলগ্ন মাটি আচমকা ধসে পড়ে। তার ফলেই প্রাচীরের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এই বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য পাঁচটি গ্রামের প্রায় ৩২৩ একর জমি ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ৯৯ বছরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রায় দেড় বছর ধরে চলে নির্মাণ কাজ। জেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে গড়ে ওঠে রাজ্যের ষষ্ঠ বেসামরিক বিমানবন্দরটি (Airport Collapse)।

রেওয়া বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য ২৩০০ মিটার। বর্তমানে দু’টি বিমান এই বিমানবন্দর থেকে চলাচল করছে। একটি বিমান ভোপাল থেকে খাজুরাহো হয়ে রেওয়া আসে, পরে সিংরাউলির দিকে যায়। অন্য বিমানটি জবলপুর হয়ে রেওয়া থেকে ভোপালের পথে যায়। বর্তমানে ১৯ আসনের বিমান পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে ৭২ আসনের বিমান পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এরমাঝেই ঘটল বিপত্তি। সীমানা প্রাচীর ধসে পড়ার  ঘটনার পরে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপক নবনীত চৌধুরী জানান, ‘টানা বৃষ্টিতে আশেপাশের এলাকা থেকে জল এসে প্রাচীরে ধাক্কা মারে। ওই চাপ ধরে রাখতে না পেরে প্রাচীরটি ভেঙে পড়ে। তবে রানওয়ে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে এবং বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘ বাউন্ডারি ওয়ালটি মূলত নিরাপত্তার জন্য বানানো হয়েছিল, জল রোধের জন্য নয়। এখন নতুন নকশায় জল নিকাশি ব্যবস্থা যুক্ত করে নতুন করে প্রাচীর নির্মাণ করা হবে (Airport Collapse)।’

তবে এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, কোটি কোটি টাকা খরচ করেও কেন এমন নিম্নমানের নির্মাণ হলো? কেন বৃষ্টির জল ঠেকানোর মতো কোনও ব্যবস্থা আগে থেকে রাখা হয়নি? স্থানীয়দের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় এই বিপত্তি। প্রথম শ্রেণির পরিকাঠামো নির্মাণের পরও এত অল্প সময়ে এমন দুরবস্থা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। এখন দেখার, তদন্ত করে কী ব্যবস্থা নেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্য প্রশাসন (Airport Collapse)।