স্বাস্থ্য

বারবার ফোন ঘাঁটার নেশা? অজান্তেই ‘ডুম স্ক্রলিং’-এর মারণফাঁদে পা দিচ্ছেন না তো!

উদ্বেগজনক তথ্যর জেরে আপনি মানসিক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ভুগতে শুরু করবেন।

Truth of Bengal: স্মার্টফোন এখন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। আবার অনেকের কাছে অবসর জীবনে একঘেয়েমি কাটানোর সহজ উপায় হল মোবাইলে খুটুরখাটুর করা। প্রতি ৫ মিনিট অন্তর ফ্রিজ খোলার মতো অনেকে মোবাইল খুলে দেখেন নতুন কোনো নোটিফিকেশন এল কিনা। আপনার বাড়ির ফ্রিজে কী জিনিস আছেন তা আপনার অজানা নয়। তাও আপনি বারবার ফ্রিজের দরজা খুলে দেখেন। তেমনই বারবার স্মার্টফোন খুলে নাড়াচাড়া করাকে বলে ডুম স্ক্রলিং। এই ডুম স্ক্রলিং করতে গিয়ে আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে নানান উদ্বেগজনক খবর। এসব খবর থেকে উঠে আসা উদ্বেগজনক তথ্যর জেরে আপনি মানসিক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় ভুগতে শুরু করবেন।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন অ্যাপ ফোন থেকে আনইন্সটল করেও সমস্যা মিটছে না। কাজেকর্মে, অবসর যাপনের মধ্যে একঘেয়েমি কমানোর জন্য ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে যে মনের ওপর চাপ তৈরি হয় তার জেরে খিদে কমে যাওয়া, ঘুমের সমস্যা হওয়া, মনঃসংযোগে ঘাটতির মতো সমস্যা হয়।

কারা বেশি পরিমাণে ডুম স্ক্রলিং করেন

স্মার্টফোন বেশি পরিমাণে ঘাঁটাঘাঁটি করলে তাঁরা অনলাইনে আসা নেতিবাচক খবর ও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বেশি পরিমাণে প্রভাবিত হন। মহিলাদের তুলনায় পুরুষরা বেশি পরিমাণে ডুম স্ক্রলিং করেন। কমবয়সিরা বেশি পরিমাণে ডুম স্ক্রলিং করেন।

ডুম স্ক্রলিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব কেমন করে কাটাবেন

স্মার্টফোনে কতটা পরিমাণ সময় কাটাবেন? কতটা পরিমাণে স্মার্টফোনে সোশ্যাল মিডিয়া ও খবর ঘাঁটাঘাঁটি করবেন তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করে রাখুন। আত্মনিয়ন্ত্রণ জরুরি। নিউজ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নোটিফিকেশন নির্দিষ্ট করে রাখুন। যে সব খবর পোস্ট দেখলে মনের ওপর চাপ পড়ে তা দেখবেন না। ডুম স্ক্রলিং করলে মন খারাপ হলে, রাগ হলে, মানসিক উদ্বেগ ও উত্তেজনা বাড়লে বিরতি নিন। বাস্তববাদী হন। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ২ ঘণ্টা আগে ফোন সুইচ অফ করে দিন। বিছানার পাশে ফোন রাখবেন না। পছন্দের হবির ওপর নজর দিন।

Related Articles