জিনিস নিয়ে পৌঁছতে দেরি! গ্রাহকের সঙ্গে বচসার জেরে ডেলিভারি বয়ের মর্মান্তিক পরিণতি
Delivery boy in Chennai ends life after allegedly argument with customer

Truth Of Bengal : কথায় বলে পেটের টান বড় টান। পেটের টানে বহু ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াশোনার ফাঁকে কাজ করতে হয়। তবে কাজ করতে গিয়ে অনেকের হয় মর্মান্তিক পরিণতি। এবার এরকমই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো চেন্নাই। পড়াশুনা থাকে চেন্নাইয়ে বাড়ি বাড়ি খাবার এবং জিনিসপত্র পৌঁছে দিত বছর উনিশের এক যুবক। তবে তিনি আর নেই। তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু কেন? পুলিশ সূত্রে খবর, ওই যুবক জিনিসপত্র দেরিতে পৌঁছে দিয়েছিলেন বলে এক গ্রাহকের সঙ্গে তার বসকেসা শুরু হয়েছিল। তারপরেই এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন ওই যুবক।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত যুবকের নাম জে পবিত্রন। বয়স ১৯। গত ১১ ই সেপ্টেম্বর কোরাট্টুরে একটি বাড়িতে মুদির দোকানের কিছু জিনিস পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে বাড়ির ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় সেখানে জিনিস পৌঁছে দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়। গ্রাহকের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, জিনিস দেরিতে পৌঁছানোর জন্য ওই মহিলা গ্রাহক পবিত্রনকে তিরস্কার করেন। এরপর তার বিরুদ্ধে ওই সংখ্যায় অভিযোগ করেন ওই গ্রাহক। গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে যুবকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে ওই সংস্থা।
এই ঘটনার দুদিন পর ফের গ্রাহকের বাড়ির জানালায় ঢিল ছোড়েন পবিত্রন। এরপর এই থানায় অভিযোগ করেন মহিলা গ্রাহক। পুলিশ যুবককে থানায় ডেকে পাঠায়। এই নিয়ে তাকে বকাঝকা করা হয়। তবে যুবকের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করা হয়নি। গত মঙ্গলবার আত্মহত্যা করেন ওই যুবক। তার ঘর থেকে সুইসাইড নোটও ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নোটে যুবক এই চরম পদক্ষেপ গ্রহণ করার নেপথ্যে এই ঘটনাকেই দায়ী করেছেন। অপর এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই যুবক যে সংস্থায় কাজ করতো সেখানে বাড়তি কোন চাপ দেওয়া হয়েছিল কিনা? এই মৃত্যুর পেছনে আর কোন রহস্য রয়েছে কিনা তার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু করেছেন পুলিশ।






