দেশ
Trending

‘জনাদেশের অপব্যবহার করিনি’, বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার অমিত শাহের

"I did not abuse the nation", Amit Shah complained to the judges

The Truth of Bengal : জেপি সংবিধান সংশোধন করতে ৪০০টিরও বেশি লোকসভা আসন জিততে চায়। বিরোধীদের এই দাবিকে খারিজ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ANI-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, গত এক দশক ধরে সংবিধানে পরিবর্তন করার ম্যান্ডেট ছিল। কিন্তু কখনই তা করেনি বিজেপি। ৪০০টিরও বেশি আসন জয়েল লক্ষ্য হল, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা আনা।

এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা দেশে রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে লোকসভা নির্বাচনে ৪০০টি আসন জিততে চাই। আমরা আমাদের সীমান্ত রক্ষা করতে, ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করতে এবং দারিদ্রতা দূর করতে ৪০০টি আসন চাই। যারা এখনও সুবিধা পাননি, তাঁদের কাছে সেই সুবিধা পৌঁছে দিতে চাই। এখনও প্রতিটি বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছয়নি। দেশে প্রাকৃতিক চাষের ক্ষেত্রে অনেক কাজ করা বাকি আছে। সেই জন্য আমরা ৪০০ আসন চাই। দেশের ৭০ বছরের বেশি বয়সী প্রত্যেক প্রবীণ নাগরিককে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে চাই।‘

কয়েকদিন আগে রাহুল গান্ধি বলেছিলেন, নির্বাচনী প্রচারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা জিতলে সংবিধানে বদল আনবে। রাহুলের এই কথার জবাব দিয়েছেন অমিত শাহ। বলেব, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার অপব্যবহারের ইতিহাস আমার দলের নয়। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধির সময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অপব্যবহার করেছিল কংগ্রেস। লোকসভার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। এবং দেড় লক্ষ মানুষকে বিনা কারণে ১৯ মাসের জন্য জেলে পাঠানো হয়েছিল। তাই রাহুলের এই কথার গুরুত্ব নেই।‘

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ 370 ধারা বাতিল এবং রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পূরণ নিয়েও কথা বলেন। বলেন, ‘আমরা 370 ধারা বাতিল করেছি। তিন তালাক অপসারণ করেছি এবং অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছি। আমরা আমাদের শাসনের শেষ দশ বছরে ম্যান্ডেটের সাহায্যে ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়ে এসেছি।‘

চলতি লোকসভা নির্বাচনে আবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘দেশের মানুষ দেশে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে রয়েছে। কারণ দেশবাসী একটি স্থিতিশীল সরকার চায়। জনগণ দেখেছে একটি স্থিতিশীল সরকার দেশের জন্য কী করতে পারে। দেশের যুবকরা ৩০ বছর ধরে অস্থিতিশীল সরকারের যন্ত্রণা ভোগ করেছে। মোদিজির স্থিতিশীল সরকার দুটি মেয়াদ পার করেছে। এবার তৃতীয় মেয়াদে আবারও স্থিতিশীল সরকার গঠন করা হবে।‘

Related Articles