১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশিকা জারি কলকাতা পুলিশ
Kolkata Police has issued guidelines regarding traffic arrangements for the brigade rally on March 10

The Truth of Bengal: ১৯৯২এ যুবনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,বাম সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।আর ৩২বছর পর সেই ইতিহাসের ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ফের ব্রিগেডে শোনা যাবে বাংলার মানুষের আওয়াজ।এবার মমতার নেতৃত্বে বিজেপি বিরোধী গর্জন উঠবে।এখন একাধারে তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আর অন্যদিকে,তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো। তাই চব্বিশের আগে বঞ্চনার বিরুদ্ধে চিরকাল লড়াই করা জননেত্রীর এই মহাসমাবেশের ডাক বাংলা তো বটেই জাতীয় স্তরেও শিরোনামে।আরও চড়াসুরে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে তত্পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সেই সভায় জবকার্ড হোল্ডার থেকে গাঁগঞ্জের শ্রমজীবী মানুষের সংঘবদ্ধ গর্জন উঠবে।তাই রেকর্ড ভিড়ের কথা ভেবে পুলিশ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ জোর দিল।
- ১০মার্চ ভোর ৪টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত যান নিয়ন্ত্রণ
- যান নিয়ন্ত্রণ –আমহার্স্ট স্ট্রিট,বিধান সরণী,কলেজস্ট্রিট
- ব্রেবোর্ন রোড,স্ট্যান্ড রোড,বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট,বেন্টিক স্ট্রিট
- নিউ সিআইটি রোড, রবীন্দ্র সরণীতেও যান নিয়ন্ত্রণ
- ১০টি সেক্টরে ভাগ করে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট
লালবাজার জানিয়েছে, পার্কিংয়ের জন্য ব্রিগেডের আশপাশের সব রাস্তাকে পাঁচটি ভাগ করা হয়েছে। সেখানে শনিবার রাত ১০টা থেকে মোতায়েন থাকবে ট্র্যাফিক পুলিশের বিশেষ বাহিনী। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকছেন এক জন করে ইনস্পেক্টর। সঙ্গে থাকবেন দু’জন ট্র্যাফিক সার্জেন্ট এবং ২৬ জন পুলিশকর্মীর একটি বাহিনী। তাঁরাই ব্রিগেডমুখী গাড়িগুলিকে নির্দিষ্ট জায়গায় পার্কিংয়ে সাহায্য করবেন। এক পুলিশকর্তা জানান, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গিয়েছে, সমাবেশের আগের রাতে রাস্তায় ট্র্যাফিক পুলিশের বাহিনী না থাকলে সমর্থকদের গাড়ি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পার্ক করা হয়। এর ফলে সকালে যান চলাচলে অসুবিধা হয়। তাই এ বার আগেই বাহিনী নামিয়ে প্রথম থেকে অবস্থা আয়ত্তে রাখা হবে।
দশটি সেক্টরকে আবার ৭৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেখানে দায়িত্বে থাকছেন এক জন করে ইনস্পেক্টর। তাঁর অধীনে থাকছে বাহিনী। তাঁরা ভোর থেকে শহর স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।।এই সময়ের মধ্যে শহরে মাল বোঝাই গাড়ির প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ১০টি সেক্টরকে ভাগ করে লালবাজারের সিনিয়র অফিসাররা দায়িত্বে থাকবেন। লালবাজার সূত্রের খবর, সমাবেশের সময় মাত্রাতিরিক্ত ভিড় হলে, ব্রিগেডে সংলগ্ন ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। প্রয়োজন হলে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হবে স্ট্র্যান্ড রোড এবং জওহরলাল নেহরু রোড দিয়ে। ব্রিগেডমুখী মিছিল যে পথে যাবে, তাও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। শিয়ালদা থেকে আসা মিছিল এস এন ব্যানার্জি রোড, ধর্মতলা হয়ে পৌঁছবে ব্রিগেডে। হাওড়া স্টেশন থেকে আসা মিছিল হাওড়া ব্রিজ পেরিয়ে, ব্রেবোর্ন রোড হয়ে এগোবে ব্রিগেডের দিকে। দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী ও হাজরা থেকে বেরনো মিছিল আশুতোষ মুখার্জি রোড হয়ে ব্রিগেডের পথে যাবে। হাওড়া এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা তৃণমূল কর্মীরা, দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে, খিদিরপুর রোড, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ হয়ে ব্রিগেডের পথে যাবেন।






