
The Truth of Bengal: আত্মবিশ্বাসী লোপেজ হাবাস ডার্বির আগে বলেছিলেন ডার্বি তিনি কখনো হারেননি। ডার্বির পর দেখা গেল, যে কথা বলেছিলেন হাবাস তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল। এই ডার্বিতে অপরাজেয় থাকলে হাবাসের টিম। প্রথমে ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে গেলেও গোলের দেখা পেতে বেশি সময় নেয়নি বাগান শিবির। ম্যাচের শুরুতে গোল করে ইস্টবেঙ্গল কে এগিয়ে দিয়েছিল অজয় ছেত্রী। তবে ১৭ মিনিটের মধ্যে সেই গোল শোধ করে মোহনবাগানের স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকু।
মোহনবাগান যখন দুই এক গোলে পিছিয়ে তখন সমর্থকেরা মনে করেছিলেন ইস্টবেঙ্গল হয়তো এ ম্যাচেও জয়ী হবে !গোটা গ্যালারিতেই তখন মন খারাপের ছবি আর সেই মুহূর্তে জ্বলে উঠলেন পেত্রাতোস। তার পা থেকে ফের গোল। একেবারে সমতায় ফেরালেন দলকে সমর্থকদের মধ্যেও তখন সেলিব্রেশনের মুড। আর এই জয়লাভের পর পেত্রাতোস বলেছেন এই মরসুমের সব থেকে কঠিন ম্যাচ। কোনো দলই জমি ছাড়েনি তবে উপভোগ্য ছিল এই ম্যাচটা; এমনটাই জানিয়েছেন পেত্রাতোস। এরকম ডার্বি হওয়ায় উচিত বলে মনে করেন তিনি।
দলে অনেকের চোট আঘাত রয়েছে তার উপরেও এরকম উজ্জীবিত ইস্টবেঙ্গলের প্রতি প্রতি মুহূর্তে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে মোহনবাগান। ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠক করে হাবাস জানিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ভালো খেললেও কলকাতা ডার্বিতে তিনি কম যান না। তিনি যেন তাঁর কথা রাখলেন। অপরদিকে ইস্টবেঙ্গলের কোচ কুয়াদ্রত বলেন সুন্দর ম্যাচ। দু দলই অনেক লড়াই করেছে। হাবাস দায়িত্ব নেওয়ার পর ডার্বির জন্য মোহনবাগানের খেলোয়াড়দেরকে নিজের হাতে তৈরি করেছে। গত ডার্বিতে মোহনবাগান কে হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল এর কাছে এই ম্যাচে যাতে হারতে না হয় সে কারণে রিলে রেসের ব্যবস্থাও করেছিল হাবাস। যে হুঙ্কার দিয়েছিল হাবাস তা রাখলেন।






