
The Truth Of Bengal: সর্বসম্মতিক্রমে ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপার্সন বেছে নেওয়া হল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। শনিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খাড়গেকে জোটের মুখ করার প্রস্তাব দেন।সেই প্রস্তাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সমন্বয়ের চেষ্টা করল বলে তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছেন। যদিও এই বৈঠকে ছিল না তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি।
চব্বিশের ভোটের আগে আরও সংঘবদ্ধ জোট গড়ার পথে ইন্ডিয়া।শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে ঠিক করা হয় বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের চেয়ারপার্সন বা আহ্বায়ক হবেন মল্লিকার্জুন খাড়গে।সর্বসম্মত প্রস্তাব পাস হওয়ায় শরিকদের বোঝাপড়া যে পোক্ত হল তা বলাই যায়।উল্লেখ্য,১৯ডিসেম্বর ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খাড়গেকে মুখ হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রস্তাব দেন।মমতার প্রস্তাবে সায় দেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল।শনিবারের বৈঠকে অবশ্য যোগ দেননি তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি। শুক্রবার রাতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে যোগ দেবেন না। কারণ, আগাম বৈঠকের কথা জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিরোধী জোটের তরফে নীতীশ কুমারের নাম প্রস্তাব করা হয়। নীতীশের নাম প্রস্তাব হলেও তিনি বলেন, কংগ্রেসের কেউ এই দায়িত্ব নিক। তার পরেই খড়্গের নামে সিলমোহর পড়ে।এই এককাট্টা মনোভাব দেখে বিজেপি বিরোধী শিবির আশান্বিত।তাঁরা মনে করছে রাজ্যে রাজ্যে রফা সূত্র বের করার জন্য আলোচনা চলছে।বিহার-দিল্লি-মহারাষ্ট্রে একের বিরুদ্ধে এক লড়াইয়ের প্রস্তাব নিয়ে প্রায় সহমতে পৌঁছেছে অবেজিপি দলগুলো।এমনকি দিল্লিতে আমআদমি পার্টি-কংগ্রেসের সঙ্গে বোঝাপড়ায় রাজি হওয়ায় তাতে আশার আলো দেখছে ধর্মনিরপেক্ষ শিবির।
আগামীদিনে বাংলা –কেরল বা উত্তরপ্রদেশ নিয়ে যে বোঝাপড়ার অভাব রয়েছে তা মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা।তাই ৫রাজ্যের ভোট থেকে শিক্ষা নিয়ে ইন্ডিয়া জোট যেভাবে এগোচ্ছে তাতে বিজেপির চাপ যে বাড়ছে তা একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহলের একাংশ।কারণ ৫রাজ্যে বিজেপি ৪১-থেকে ৪২শতাংশ ভোট পেলেও বিরোধী কংগ্রেস ও শরিকরা মিলে ৫০শতাংশের কাছে ভোট পেয়েছে।এই অবস্থায় ছোটখাটো মতভেদ ভুলে রফা সূত্র কার্যকর করা এখন বিরোধীদের কাছে যেমন অগ্নিপরীক্ষা তেমনই আবার রামমন্দির-৩৭০বাতিল বা তিন তালাক রদের মতো ইস্যুকে সামনে রেখে লড়াইতে নামা বিজেপির কাছে বাড়তি চ্যালেঞ্জ বলাই যায়। কারণ মেরুকরণের থেকেও ছাপিয়ে যেতে পারে ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরের সম্মিলিত ভোট শতাংশের হিসেব।
Free Access






