
The Truth of Bengal: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে নির্বাচন আগেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। জানুয়ারির ৭ তারিখে বাংলাদেশে নির্বাচন। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। দেশের শাসকদল আওয়ামী লীগ যখন নির্বাচনের জোরদার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তখন নির্বাচন বয়কটের পথে হাঁটছে বিরোধী বিএনপি সহ অন্যান্য কয়েকটি দল। নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়ে বিএনপি ও জামাতে ইসলামি টানা ৪৮ ঘন্টার হরতালের ডাক দিয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর বিরোধীদের সমাবেশে হামলার ঘটনাকে সামনে রেখে শাসকদলের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে তারা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দাবি জানাচ্ছে বিএনপিও জামাতে ইসলামী। আর এই দাবিতেই ৪৮ ঘন্টার হরতালের ডাক।
বিরোধীদের দাবি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে নিরপেক্ষ সরকার গড়ে উঠুক। সেই সরকারের নেতৃত্বে হোক নির্বাচন। বিরোধীদের এই আন্দোলনে জেরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ছড়িয়েছে। হরতালে তেমন সমর্থন না দেখা গেলেও হিংসাত্মক ঘটনায় বেশ কিছু বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীরা বেশ কিছু গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। বিরোধীদের এই হিংসাত্মক আন্দোলন রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসন।
হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জোর করে অবরোধ করতে গেলেও আটক করা হয় বহু আন্দোলনকারীকে। বিএনপি ও জামাতে ইসলামীর এই আন্দোলনে জেরে রাজধানী ঢাকা সহ বেশ কয়েকটি জেলায় উত্তেজনা ছড়ায়। এরই মাঝে জাতীয় নির্বাচন কমিশন জেলায় জেলায় নির্বাচনের জোরদার প্রস্তুতি চালাচ্ছে। বৈঠক করেছে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে। নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। দেশজুড়ে নির্বিঘ্নে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা রাখছে কমিশন।






