The Truth of Bengal: দিল্লির বিরুদ্ধে বাংলাজুড়ে যখন তৃণমূল কংগ্রেস আন্দোলনের ডাক দিয়েছে,তখন অমিত শাহ বাংলায় এসে বকেয়া নিয়ে কোনও আশ্বাস দিলেন না। রাজ্যের বঞ্চনা ইস্যুকে বিজেপি যে রাজনীতির মোড়কে ঢেকে রাখতে চায় তাও স্পষ্ট করে দেন দিল্লির সরকারের নম্বর টু। পরিবর্তে কেন্দ্রের সরকার সেই, রাজ্যের বেনিয়মের কথা বলে আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে চান বলে তৃণমূলের আন্দোলনকারীদের দাবি। বঞ্চনা ইস্যুতে তৃণমূল বিধানসভা চত্বরে যখন ধর্ণা দিচ্ছিল, এবং সেই অবস্থানে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেন,তখন বিজেপির বেনজির বিশৃঙ্খলা করে বলে অভিযোগ।
গেরুয়া শোরগোলে বিধানসভার শান্ত পরিবেশকে বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হয়। বলা যায়, বিধানসভা চত্বরে নজিরবিহীন সংঘাতের জন্য বিজেপিকে একহাত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধানকে সম্মান জানিয়ে পরিষদীয় রীতি বজায় রাখলেও বিরোধীরা তাকে মান্যতা দেয় না। তাই পরিষদীয় রীতি মেনে স্পিকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।বিধানসভা চত্বরে তৃণমূল কংগ্রেসের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল। কিন্তু বিজেপি আচমকা তৃণমূলের অবস্থানের মাঝে অনুপ্রবেশ করে তাই নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছেন প্রবীণ বিধায়করা।
ঘটনার নিন্দা করে সোচ্চার হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা চত্বরে বেনজির ভাবে সংঘাতে জড়ায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। সাসপেন্ড হওয়ার পর আচমকাই বিধানসভা চত্বরে প্রবেশ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কেন বিজেপি সংবিধান প্রণেতা আম্বেদকরের মূর্তি সামনে এসে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে তা নিয়েও সবমহলে সমালোচনার ঝ়ড় উঠেছে।






