কলকাতা

কাঁচি দিয়ে যুবকে খুন, চিংড়ি ঘাটার অভিযুক্ত গ্রেফতার

Chingrighata Murder

The Truth of Bengal: জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের  ভাসানের গান চালানো নিয়ে অশান্তি। অভিযোগ, অশান্তির সময় সাহেব আলি নামে এক যুবকের গলায় কাঁচি নিয়ে হামলা করে বিট্টু সর্দার। রক্তাক্ত অবস্থায় সাহেবকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাতে বছর ২২-র যুবকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় উত্তাল হয় চিংড়িঘাটার শান্তিনগর। নৃশংস খুনের জন্য   বিট্টু সর্দারকে  উত্তেজিত জনতা  মারধর করে। পুলিশ গিয়ে বিট্টু সর্দারকে আটক করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু,স্বজনহারানোদের আশ্বস্ত করেন,আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানুষ কী অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে ?কথায় কথায় অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার ঝোঁক বাড়ছে ? পাড়ার বচসা থেকে ঠেকের আড্ডায় রক্তঝড়া নানা হিংসার ঘটনা সেই প্রশ্ন বড় করে সামনে আনছে।

চিতপুর,ময়দানে কুপিয়ে খুনের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও কুপিয়ে খুনের শিউরে ওঠা ঘটনা সামনে এল।এবার জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের ভাসানকে কেন্দ্র করে চিংড়িঘাটায় প্রাণ গেল এক যুবকের। শনিবার রাতে চিংড়িঘাটার বাসন্তী দেবী কলোনি এলাকায় জগদ্ধাত্রী পুজোর ভাসানে সাউন্ড বক্স বাজানোকে কেন্দ্র করে  দুই যুবকের বচসা হয়। স্থানীয় যুবক সাহেব আলির সঙ্গে বিট্টু সর্দার ঝামেলায়  জড়ায়। জোরে গান চালানোর প্রতিবাদ করেন সাহেব।অভিযোগ,সাহেবকে কাঁচি দিয়ে কোপায় বিট্টু।তাঁর ঘাড়ে,গলায় ও পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দেয় বিট্টু।কাঁচির ধারালো আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুঠিয়ে পড়েন সাহেব।পরে  হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

দফায় দফায় অবরোধ, আর  উত্তাল প্রতিবাদে কার্যতঃ রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ইএমবাইপাস সংলগ্ন এলাকা। অগ্নিগর্ভ অবস্থা সামলাতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।স্বজনহারানো মানুষ একযোগে ফাঁসির দাবি করে।   মন্ত্রী সুজিত বসু উত্তাল অবস্থা দেখে যান। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।ইনসাফের দাবিতে মুখর হওয়া জনতাকে আশ্বস্ত করেন,আইন আইনের পথে চলবে,বিচার হবে অভিযুক্তের। শনিবারের ঘটনার পর পুলিশ বিট্টুর খোঁজ করছিল। তখনই আচমকা এলাকায় একটি ট্যাক্সির ভিতরে বিট্টুকে দেখতে পান স্থানীয়েরা। সেসময় তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে  উন্মত্ত জনতা।উত্তেজিত জনতা মারধর করে অভিযুক্তকে। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।  বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা বলেন, আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার  আশ্বাস দেন।চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশি নজরদারি রয়েছে।

Related Articles