অখিলেশের চালেই মহা বিপত্তি! এসপি প্রার্থী হয়েই মোদীর চরম প্রশংসায় ধনরাজ নাথওয়ানি
দেশজুড়ে INDIA জোট যখন মোদি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পথে, তখন সমাজবাদী পার্টিরই প্রার্থীর এমন মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলেছে
Truth of Bengal: রাজ্যসভা নির্বাচনে চমক দিতে গিয়ে উল্টে অস্বস্তিতে সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। উত্তরপ্রদেশ থেকে দলের প্রার্থী হওয়া রিলায়েন্সের শীর্ষকর্তা তথা গুজরাটের ব্যবসায়ী ধনরাজ নাথওয়ানি প্রকাশ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন। দেশজুড়ে INDIA জোট যখন মোদি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পথে, তখন সমাজবাদী পার্টিরই প্রার্থীর এমন মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। আগামী ১৬ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের ১০টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন। সংখ্যার অঙ্কে সমাজবাদী পার্টির দুই প্রার্থীর জয় নিশ্চিত বলেই ধরা হচ্ছে। প্রথম আসনে অখিলেশ প্রার্থী করেছেন দলের প্রবীণ নেতা রামগোপাল যাদবকে। দ্বিতীয় আসনে চমক হিসেবে উঠে এসেছে ধনরাজ নাথওয়ানির নাম।
ধনরাজের পরিচয় শুধু ব্যবসায়ী হিসেবে নয়। রিলায়েন্স গোষ্ঠীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। জামনগরের উৎপাদন বিভাগ থেকে গুজরাটে জিও-র ব্যবসা, ইঞ্জিনিয়ারিং ও কনস্ট্রাকশন এবং ডিফেন্স সিস্টেম—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই তিনি কাজ করেছেন। ক্রিকেট প্রশাসনেও পরিচিত মুখ ধনরাজ। বর্তমানে তিনি গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। এমন প্রার্থীকে সামনে এনে শিল্প ও কর্পোরেট জগতের সঙ্গে দলের যোগাযোগ বাড়ানোর বার্তা দিয়েছিল সমাজবাদী পার্টি। কিন্তু মনোনয়ন ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই ধনরাজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ধনরাজ লিখেছেন, ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত মোদির যাত্রা ছিল অসাধারণ। তাঁর ভাষায়, এটি “২৫ বছরের নেতৃত্ব, ২৫ বছরের নিষ্ঠা, ২৫ বছরের সেবার সংকল্প।”
সমাজবাদী পার্টি INDIA জোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শরিক। সেই দলের প্রার্থী যখন প্রকাশ্যে মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন, তখন ধনরাজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই জল্পনা আরও বেড়েছে তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক যোগাযোগ ঘিরে। ধনরাজের বাবা পরিমল নাথওয়ানি ইতিমধ্যেই এনডিএ-সমর্থিত রাজ্যসভা সদস্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা রাজনৈতিক মহলে বহুদিন ধরেই আলোচিত।






