‘বাংলার বাড়ি’র নাম বদলে ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’, দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেলেন প্রায় ১০ লক্ষ উপভোক্তা
মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিতভাবে গরিব মানুষের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি আরও একধাপ এগিয়ে গেল
Truth of Bengal: রাজ্যের গ্রামীণ আবাসন প্রকল্পে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’ করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রায় ১০ লক্ষ উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাঠানোর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিতভাবে গরিব মানুষের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি আরও একধাপ এগিয়ে গেল।অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বহু মানুষ অপেক্ষা করছিলেন নতুন সরকার তাঁদের পাশে দাঁড়াবে কি না।
অতীতে সরকারি প্রকল্পগুলিকে ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নামে প্রচার করা হতো বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর কথায়, সরকারি সুবিধা কোনও ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি এনডিএ সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অংশ।উপভোক্তাদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান বাজারে সিমেন্ট ও স্টিলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাড়ি নির্মাণে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। বাড়ি সম্পূর্ণ হলে শৌচালয় নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ারও পরামর্শ দেন।মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’ রাখা হবে।
তাঁর দাবি, পূর্ববর্তী সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতের রাজনীতি করেছে, কিন্তু বর্তমান সরকার সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবাস প্রকল্পে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০ লক্ষেরও বেশি আবাস নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। এখনও যাঁদের নাম আবাস যোজনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি, তাঁদের আবেদন করার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, উপভোক্তা নির্বাচনে দল, ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। দুর্গাপুজোর পর আরও কয়েক লক্ষ উপভোক্তাকে প্রথম কিস্তির অর্থ দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন।






