লাইভ স্ট্রিমিং চললেও শোনা যাবে না অডিও! সুপ্রিম কোর্টে জরুরি শুনানি প্রক্রিয়ায় নতুন কড়া নিয়ম
বুধবার এই নতুন নির্দেশের কথা ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি
Truth of Bengal: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে জরুরি শুনানির জন্য মামলা উল্লেখের সময় ভার্চুয়াল ভিডিয়ো কনফারেন্স চালু থাকলেও আর শোনা যাবে না কোনও কথোপকথন। লাইভ স্ট্রিমিংয়ের অডিয়ো সম্পূর্ণ মিউট রাখার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে ওই পর্বে আইনজীবী ও আদালতের মধ্যে হওয়া কথাবার্তা সাধারণ মানুষ কিংবা সংবাদমাধ্যম সরাসরি শুনতে পারবে না। বুধবার এই নতুন নির্দেশের কথা ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, কোনও মামলাকে জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন বা ‘মেনশনিং’ বিচারবিভাগীয় শুনানির অংশ নয়। এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। তাই এই সময়ের কথোপকথন সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা উচিত নয়।
নতুন ব্যবস্থায় আদালতের লাইভ ভিডিয়ো দেখা গেলেও মেনশনিংয়ের সময় অডিয়ো বন্ধ থাকবে। কোনও আইনজীবী কোন মামলার দ্রুত শুনানি চাইলেন এবং তার জবাবে বেঞ্চ তাৎক্ষণিকভাবে কী মন্তব্য করল, তা আর সরাসরি শোনা যাবে না।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই নির্দেশের মাধ্যমে মূল বিচারপ্রক্রিয়া এবং মামলা তালিকাভুক্তির প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে স্পষ্ট সীমারেখা তৈরি করল সুপ্রিম কোর্ট। কয়েক দিন আগেও প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, জরুরি শুনানির জন্য মামলা উল্লেখ করা আদালতের প্রশাসনিক কাজের অংশ। এটি কোনও মামলার মূল বিচার বা বিচারবিভাগীয় শুনানি নয়। সেই কারণে এই পর্যায়ের কথাবার্তা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত নয় বলেও মত দিয়েছিলেন তিনি।
বুধবার অডিয়ো মিউট রাখার নির্দেশের মাধ্যমে সেই অবস্থানই কার্যকর করা হল। এর ফলে মেনশনিং পর্বের কোনও মন্তব্য নিয়ে আগাম বিতর্ক বা বিভ্রান্তি তৈরির সম্ভাবনা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২২ জুলাই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের হামলার অভিযোগ সংক্রান্ত একটি আবেদনের দ্রুত শুনানি চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় বেঞ্চ জানায়, সংশ্লিষ্ট ঘটনার ভিডিয়ো দেখার মতো সময় তাদের নেই। ওই মন্তব্য ঘিরে পরে বিতর্ক তৈরি হয়। এরপর প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেন, প্রথমে নিয়ম মেনে মামলা দায়ের করতে হবে। মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পরেই দ্রুত শুনানির আবেদন বা অন্য কোনও আর্জি বিবেচনা করবে আদালত।






