ধর্মেন্দ্রর পর এবার নিশানায় নিতিন গড়কড়ি! ‘ই-২০ জনতা পার্টি’র উত্থানে সরগরম রাজধানী!
গাড়ির মাইলেজ গায়েব, বাড়ছে ক্ষতি! ইথানল পেট্রল বিতর্কে ১ আগস্ট থেকে রাস্তায় নামছেন কেজরিওয়াল!
Truth of Bengal: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে প্রবল জনরোষ ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র টানা আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ককরোচদের সেই অভূতপূর্ব সাফল্যের পরই এবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির বিরুদ্ধে একই ধাঁচে আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল দেশে। ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের ফলে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে মূল অস্ত্র করে এবার আত্মপ্রকাশ করল ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। অন্যদিকে, আগামী ১ আগস্ট থেকে ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজপথে নামার ঘোষণা করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (AAP)।
পেট্রলে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর ফলে গাড়ির ইঞ্জিনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে এবং মাইলেজ মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে বলে সারা দেশ জুড়ে অভিযোগ উঠছিল। এর মাঝেই ইথানল ব্যবসার সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির দুই পুত্র এবং ‘সায়ান অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ’-এর সম্পত্তি হঠাৎ আকাশছোঁয়া বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে বড়সড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ডামাডোলের মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় ঝড়ের বেগে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’।
প্রকাশ্যে আসার অল্প সময়ের মধ্যেই এক্স (প্রাক্তন টুইটার) হ্যান্ডেলে তাদের ফলোয়ার্স সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৪২ হাজার ৫০০ এবং ইনস্টাগ্রামে অনুগামী সংখ্যা ১.২৫ লক্ষ অতিক্রম করেছে। প্রতি মুহূর্তে লাফিয়ে বাড়ছে এই সংখ্যার পারদ। তবে এই বিতর্কিত ও জনপ্রিয় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এদিকে, কেন্দ্রের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নীতি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার সরব হয়েছেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, “সমস্যা বড় আকার নেওয়ার আগেই সরকারের উচিত এর সমাধান করা। সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, গাড়ি খারাপ হচ্ছে, মাইলেজ কমছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানাচ্ছি।”
এর পাশাপাশি ই-২০ নীতির বিরুদ্ধে আগামী ১ আগস্ট দিল্লির টাউনহলে বিশালাকার সমাবেশের ডাক দিয়েছে আম আদমি পার্টি। দিল্লির বাইরের মানুষদেরও অনলাইনে এই কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। সব মিলিয়ে ককরোচ আন্দোলনের পর এবার ই-২০ ইস্যুতেও দেশজুড়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলনের ঝড় ওঠার পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলছে।






