ভারতে এবার ‘আরশোলা দল’-এর আত্মপ্রকাশ! যোগ দিলেন তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট সাংসদ
প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষে’র বদলা! বস্টনের পড়ুয়ার হাত ধরে তৈরি দলে মহুয়া-কীর্তির মেগা এন্ট্রি
Truth of Bengal: দেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ পদ থেকে আসা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতের যুবসমাজের ক্ষোভ এবার এক বিচিত্র রূপ নিল। আমেরিকার বস্টন ইউনিভার্সিটির ছাত্র তথা আম আদমি পার্টির প্রাক্তন সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সদস্য অভিজিৎ ডিপকে ভারতে সূচনা করেছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্যকান্তর বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতেই এই ব্যঙ্গাত্মক দলের জন্ম।
গত সপ্তাহে একটি মামলার শুনানিতে কর্মহীন বেকারদের ‘আরশোলা’ ও ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করার অভিযোগ ওঠে সিজেআই-এর বিরুদ্ধে। যদিও তিনি পরে জানান, এটি মৌখিক পর্যবেক্ষণ মাত্র, কিন্তু দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় থামেনি। গায়ে আরশোলার ছবি এঁকে রাস্তায় নামার পর এবার তৈরি হল আস্ত দল। আত্মপ্রকাশের ২ দিনের মধ্যেই ৪০ হাজারের বেশি সদস্য যোগ দিয়েছে এই রাজনৈতিক দলে।
মহুয়া-কীর্তির সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
এই নতুন দলে ইতিমধ্যেই নাম লিখিয়েছেন তৃণমূলের বিতর্কিত সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “এমনিতেই আমাকে দেশদ্রোহী পার্টির সদস্যতা দেওয়া হয়েছে!” সিজেপি-র তরফে মহুয়াকে ‘যোদ্ধা’ তকমা দিয়ে বরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ জানতে চান, এই দলে যোগ দেওয়ার যোগ্যতা কী? ব্যঙ্গাত্মক কায়দাতেই সিজেপি জবাব দেয়, “১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয় করার যোগ্যতাই আপনার জন্য যথেষ্ট।”

অলস ও বেকারদের দল, রয়েছে ৫ দফার ইস্তেহার
নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও অলস দল বলে দাবি করা সিজেপি ইতিমধ্যেই ৫ দফার ইস্তেহার প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, প্রধান বিচারপতিরা অবসরের পর রাজ্যসভায় যেতে পারবেন না, সংসদে মহিলাদের ৫০% সংরক্ষণ দিতে হবে, দলবদলু আইনপ্রণেতাদের ২০ বছর ভোটে দাঁড়ানো নিষিদ্ধ করতে হবে, এবং NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, দেশে ২১০০-র বেশি রাজনৈতিক দল থাকলেও জেন-জি (Gen-Z) সমাজকে টানতে সিজেপি-র এই অনলাইন ডিজিটাল বিপ্লব দারুণ সাড়া ফেলেছে। দলে যোগ দেওয়ার শর্তও ভারী অদ্ভুত, আবেদনকারীকে অলস, বেকার হতে হবে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ২৪ ঘণ্টা অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। এখন দেখার, এই আরশোলা বাহিনী শুধুই ট্রোলিংয়ে সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি নির্বাচন কমিশনে নাম নথিভুক্ত করে ব্যালট বক্সেও ঝড় তোলে।
In case you forgot our eligibility criteria
Join: https://t.co/R2ErBqHvBB pic.twitter.com/xYYdgDAFRc
— Cockroach Janta Party (@CJP_2029) May 17, 2026





