‘চিকেনস নেক’ রক্ষায় শুভেন্দুর মাস্টারস্ট্রোক! চিনের ছক বানচাল করতে কেন্দ্রকে ১২০ একর জমি হস্তান্তর
চিন-বাংলাদেশের থাবা থেকে ‘চিকেনস নেক’ বাঁচাতে শুভেন্দুর মেগা অপারেশন!
Truth of Bengal: ভারতের মানচিত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অংশ শিলিগুড়ি করিডোর, যা নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও চিনের মতো চার বিদেশি সীমান্ত দিয়ে ঘেরা। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির সাথে যোগাযোগের এই একমাত্র লাইফলাইনটিকে দুর্বল করতে দীর্ঘদিন ধরেই ওত পেতে রয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ও বৈরি রাষ্ট্রগুলি। তিনটি দেশের সীমান্ত এক বিন্দুতে মেশার সুযোগ নিয়ে এই করিডোর দিয়ে অস্ত্র, মাদক ও জাল নোট পাচারের পাশাপাশি লাগামহীন অনুপ্রবেশের জেরে উত্তরবঙ্গের জনবিন্যাস ক্রমশ বদলে যাচ্ছিল।
বাংলার নির্বাচনী প্রচারে এসে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ‘চিকেনস নেক’ ভাঙার চক্রান্তকারী ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ এবং তাদের প্রশ্রয়দাতা পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। নবান্নে ক্ষমতার অলিন্দ বদল হতেই সেই সুরক্ষাবলয় ঢেলে সাজাতে কোমর বেঁধে নামল শুভেন্দু অধিকারীর স্বরাষ্ট্র দফতর। সীমান্ত সিল করতে ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ (BSF)-কে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমি হস্তান্তরের নির্দেশের পাশাপাশি এবার শিলিগুড়ি করিডোরের ১২০ একর কৌশলগত জমি কেন্দ্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
শুধু জমি হস্তান্তরই নয়, সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর দ্রুত মুভমেন্ট এবং রসদ পৌঁছানোর সুবিধার্থে রাজ্যের অধীনে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৭টি জাতীয় সড়ককেও সরাসরি কেন্দ্রীয় ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে, হাসিমারা-জয়গাঁও হয়ে ভারত-ভুটান সীমান্ত রোড, বারাদিঘি-ময়নাগুড়ি-চ্যাংরাবান্ধা হয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সড়ক এবং শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় থেকে কার্শিয়াং হয়ে দার্জিলিং যাওয়ার সম্পূর্ণ পাহাড়ি রুট। এর ফলে আন্তর্জাতিক সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ রকেটের গতিতে সম্পন্ন হবে, যা ড্রাগন শিবিরের আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করবে।






