দেশ

আপ ছেড়ে বিজেপিতে রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে যোগ দিলেন আপ-এর আরও ২ হেভিওয়েট নেতা

একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন এবং সেখানেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল ছেড়ে পদ্মশিবিরে নাম লেখানোর চূড়ান্ত ঘোষণা দেন।

Truth of Bengal: রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটালেন রাঘব চাড্ডা। আম আদমি পার্টির আরও ছয় প্রভাবশালী নেতাকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলেন তিনি। এদিন দুপুরে রাঘব চাড্ডা-সহ আপের তিন সাংসদ একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন এবং সেখানেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল ছেড়ে পদ্মশিবিরে নাম লেখানোর চূড়ান্ত ঘোষণা দেন।

রাঘব চাড্ডা নিজের পৃথক দল গড়তে পারেন— এমন গুঞ্জন দীর্ঘদিনের হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন দলেই আস্থা রাখলেন। সাংবাদিক বৈঠকে রাঘব জানান, তাঁরা সংবিধানকে হাতিয়ার করেই বিজেপির সঙ্গে নিজেদের মিশিয়ে দিচ্ছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, রাজ্যসভায় আপের মোট সাংসদ সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হবে না। ফলে কারিগরি দিক থেকে এই দলবদল বৈধ বলেই দাবি করেছেন তিনি।

এদিন দলবদলকারীদের যে তালিকা সামনে এসেছে, তা আম আদমি পার্টির জন্য অত্যন্ত বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাঘব চাড্ডা ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন স্বাতী মালিওয়াল, প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, অশোক মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রম সাহানি। সব মিলিয়ে আপের সাতজন সাংসদ এখন বিজেপির শিবিরে।

জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এই দলবদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যসভায় আম আদমি পার্টির শক্তি এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যাওয়ায় বিজেপি উচ্চকক্ষে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে চলে এল। আপের অন্দরে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এবং মতভেদের ফলেই এই মেগা দলবদল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার পর দিল্লির শাসক দলের ভবিষ্যৎ এবং কেজরিওয়ালের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Related Articles