শুষ্ক আবহাওয়া কি কাটবে? বজ্রগর্ভ মেঘে বৃষ্টির সম্ভাবনা, সপ্তাহান্তের আগে বড় আপডেট হাওয়া অফিসের
এই সব জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে।
Truth of Bengal: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তীব্র গরমের দাপট অব্যাহত রয়েছে। দিনভর চড়া রোদ এবং অস্বস্তিকর ভ্যাপসা আবহাওয়ায় জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি এখনই বদলানোর সম্ভাবনা নেই। আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের অবস্থা বজায় থাকবে বলেই জানানো হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই সব জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে।
তবে এই তীব্র দাবদাহের মধ্যেই কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দফতরের পূর্বাভাস বলছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়া বজ্রগর্ভ মেঘের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকলেও কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে। বিশেষ করে ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।
সপ্তাহান্তে পরিস্থিতির আরও পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। শনিবার ও রবিবার বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, শনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। ফলে টানা কয়েকদিনের অস্বস্তিকর গরম থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট। শনিবার থেকে সেখানে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানানো হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী কয়েকদিন ধরে উত্তর ও দক্ষিণ—উভয় বঙ্গেই বৃষ্টির এই ধারা বজায় থাকতে পারে।






