বহুতল থেকে আবাসিক হোটেলে বহিরাগতরা নিষিদ্ধ, নিরাপত্তা ও ব্যক্তি স্বাধীনতায় দ্বন্দ্ব
নিরাপত্তা না কি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ? কমিশনের নতুন নিয়মে আবাসনগুলোতে তীব্র বিতর্ক।
জয় চক্রবর্তী: আবাসিক হোটেল থেকে বহুতল আবাসন, এমনকি স্থানীয় বসতবাড়ি। সংশ্লিষ্ট বিধানসভার ভোটার ছাড়া ভোটের দিন অন্য কোনও বিধানসভার বা ভিনরাজ্যের ভোটারদের থাকা চলবে না।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নজিরবিহীন কড়াকড়ি জারি করল নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ বাইরে থেকে আত্মীয়-স্বজন কেউ এলে, তিনি যদি ওই কেন্দ্রের ভোটার না হন তাহলে তাঁর ওই আবাসন বা বাড়িতে থাকা চলবে না। পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলেও একই নিয়ম।
তবে নিরাপত্তা বনাম ব্যক্তি স্বাধীনতা, এই দুইয়ের টানাপোড়েনে এই নির্দেশে নতুন করে বিতর্কও দানা বাঁধছে। তবে কমিশনের এই নির্দেশ পাওয়া মাত্রই দিঘার অধিকাংশ হোটেলে বাইরের ভোটার তথা পর্যটকদের হোটেল ছাড়তে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দার্জিলিং বা উত্তরবঙ্গের পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলে এধরনের ঘটনার কথা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বেশ কিছু বহুতলে এবার ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। সেই কারণেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুতল আবাসনের ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ করেছে কমিশন। পদস্থ কর্তাদের মতে, বহিরাগতদের উপস্থিতি ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।
ভোটের প্রাক্কালে এই নির্দেশিকা অপরিচিত নয়।অবশ্য এই নির্দেশকে কেন্দ্র করে আবাসনগুলিতে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, পরিবারের কেউ অন্য শহর বা রাজ্য থেকে এলে, তিনি কোথায় থাকবেন? যদিও প্রশাসনের বক্তব্য, নির্বাচন চলাকালীন এই নিয়ম মেনে চলাই বাধ্যতামূলক এবং সুষ্ঠু ভোটের স্বার্থে এমন কড়াকড়ি জরুরি। পক্ষান্তরে অভিযোগ, এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এবং ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর অযথা বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।






