১৮ বছর পর সর্বনিম্ন পারদপতন মহানগরে, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কাঁপছে দক্ষিণবঙ্গও
এর আগে ২০০৮ সালের প্রথম দিনে কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
Truth Of Bengal: নতুন বছরের শুরুতেই শীতের দাপুটে ব্যাটিং দেখল মহানগরী। ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার খোলার সকালেই রেকর্ড পারদপতন কলকাতায়। বৃহস্পতিবার ভোরে তিলোত্তমার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়াল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৮ বছরে ১ জানুয়ারি এমন হাড়কাঁপানো ঠান্ডা আর দেখা যায়নি। এর আগে ২০০৮ সালের প্রথম দিনে কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত বুধবারই মরসুমের শীতলতম দিন প্রত্যক্ষ করেছে কলকাতা, যেখানে পারদ নেমেছিল ১১ ডিগ্রিতে। বৃহস্পতিবার তা সামান্য বেড়ে ১১.৬ ডিগ্রি হলেও তা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী তিন দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে। তবে পরবর্তী চার দিন আবহাওয়া কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও শীতের আমেজ পুরোদমে বজায় থাকবে।
কনকনে ঠান্ডার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। আগামী চার-পাঁচ দিন জেলাগুলোতে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বর্ধমান জেলাগুলোতে দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারে নেমে আসতে পারে। শুক্রবারও সকালের দিকে কুয়াশার দাপটে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গে কনকনে শীতের মাঝেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পর্যটকদের জন্য বড় খবর হল, দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকায় আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হবে না।





