খেলা

Norway: আজ্জুরিদের হারিয়েই ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে নরওয়ে

গ্রুপ আই-র ম্যাচে গত রবিবার নিজেদের ঘরের মাঠে এইভাবে ইতালিকে হারতে হবে তা বুঝি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি ইতালিয়ান সাপোর্টাররা।

Truth of Bengal: আগামী বিশ্বকাপের মূল পর্বে এবার দেখা যাবে নরওয়েকে। ফুটবলের মহারণে নিজেদের জায়গা পাকা করতে গত রবিবার ইতালির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়টা দরকার ছিল হালান্ডদের কাছে। এবং সেই লক্ষ্যে বাজিমাতই করল নরওয়ে। এর ফলে অবসান ঘটল দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রতীক্ষার। ম্যাচের ফল ৪-১।

গ্রুপ আই-র ম্যাচে গত রবিবার নিজেদের ঘরের মাঠে এইভাবে ইতালিকে হারতে হবে তা বুঝি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি ইতালিয়ান সাপোর্টাররা। আর ভাববেনই বা কেন! ম্যাচের প্রথমে তো তারাই এগিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কথায় আছে মানুষ ভাবেন এক, আর হয় তার অন্যথা।

ম্যাচের ১১ মিনিটে এসপোসিতোর গোল। এগিয়ে যায় আজ্জুরিরা। যে গোল খেয়েও নরওয়েকে পিছিয়ে থাকতে হয়েছিল প্রায় ৫২ মিনিট অবধি। নরওয়ে খেলায় সমতায় ফেরে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে। হালান্ডদের দেশের হয়ে প্রথম স্কোরশিটে নাম তোলেন অ্যান্টোনিও নুসা।

এই গোলের পরই নরওয়ের জার্সি গায়ে ঝলক দেখাতে শুরু করলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। ৭৮ মিনিটে প্রথম গোল, তার এক মিনিট পরেই দলের ব্যবধান বাড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন হালান্ড। এরপর ইতালির জালে শেষ পেরেঁকটি পুঁতে দেন লারসেন।

ম্যাচ হেরে আগামী বিশ্বকাপে আর সরাসরি খেলার সুযোগ রইল না ইতালির কাছে। এখন ভরসা তাকিয়ে থাকতে হবে প্লে-অফের ওপরই। কিন্তু বিশ্বকাপের প্লে-অফে আজ্জুরিদের ভাগ্য খুব একটা ভাল নয়। ২০১৮ সালে তারা দুই লেগ মিলিয়ে সুইডেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে ম্যাচ হেরেছিল। এবং একইভাবে ২০২২ সালেও তাদের হারতে হয়েছিল মেসিডোনিয়ার কাছে।

এদিকে ম্যাচ জিতিয়েই শুধু নয়, জোড়া গোল করে নজিরও গড়লেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। এই নিয়ে টানা ১১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোলের নজির গড়লেন তিনি। হালান্ডের আগে এতদিন রেকর্ডটি ধরে রেখেছিলেন মালয়েশিয়ার আব্দুল ঘানি। ২৮ মে ১৯৬১ থেকে ২৮ আগস্ট ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তাঁর মোট গোল ছিল ১১টি।

 

Related Articles