রাজ্যের খবর

লোকচক্ষুর আড়ালে ভ্রামরি মন্দির! এর কাহিনি জানেন?

Truth Of Bengal: সর্বত্র চলছে শ্যামাপুজো। বিভিন্ন ক্লাবের উদ্যোগে যেমন করে পুজো করা হচ্ছে তেমনই বিভিন্ন মন্দিরেও আয়োজিত হচ্ছে এই পুজো। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ধূপগুড়ি ব্লকের গাদং ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের শালবাড়ি বাজারের পাশেই রয়েছে ভ্রামরি মন্দির। যদিও এই মন্দির নিয়ে দ্বিমত রয়েছে।

আরও পড়ুন: Bangladesh Election: মহম্মদ ইউনূসের সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, ‘নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ!

শালবাড়ির যারা স্থানীয় বাসিন্দা তাদের দাবি ৫১ পীঠের এক পীঠ এই মন্দির। তাঁদের এই মন্দিরেই দেবীর বামপদ পড়েছে। প্রচারের অন্তরালে থাকা এই মন্দিরের দেবী বেশ জাগ্রত এবং বছরভর বিভিন্ন জায়গা থেকে ভক্তরা এসে এই মন্দিরে পুজো দিয়ে যান। শ্যামা পুজোর দিনেই এই মন্দিরের পুজোর আয়োজন করা হয়। নির্দিষ্ট নিয়ম নীতি অনুযায়ী চণ্ডী পাঠ করে এখানে পুজো হয় এবং এখানে বলি প্রথা চালু রয়েছে। পুজো শেষে ভক্তদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। (Jalpaiguri)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

কবে থেকে এখানে পুজোর শুরু হয়েছে তা স্থানীয়রা সঠিকভাবে বলতে পারেন না। তাঁদের মত অনুযায়ী, পূর্বপুরুষরা পুজো করে আসছেন। কথিত আছে, যখন এত জনবসতি ছিল না এবং মন্দিরটি ঝোপঝাড়ে পরিপূর্ণ ছিল ঠিক সে সময় এক সাধু এসে বেশ কয়েকদিন ধ্যান করে এখানে পুজো করেছিলেন এবং বলেছিলেন এখানে দেবীর বামপদ পড়েছে। তখন থেকেই একটি গাছের নিচেই এখানে পুজো করা হয়। (Jalpaiguri)

পরবর্তীকালে, ফালাকাটা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার এখানে নিয়মিত পুজো করতে আসতেন। স্টেশনে এই ভ্রামরী মন্দিরে আসার জন্য একটি রুট ম্যাপ করা ছিল। তবে দেবী জাগ্রত হলেও এই মন্দির এখনও প্রচারের আড়ালে শুধুমাত্র পুজোর দিন ঘটা করে এখানে পুজোর আয়োজন করে থাকেন স্থানীয়রা। তবে মন্দিরটি এখনও সেভাবে প্রচারের আলোয় আসতে পারেনি। স্থানীয়রা চান সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে এটাও একটি তীর্থস্থান হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা নিরেন রায়, প্রকাশ সূত্রধর বলেন,” এই দেবী খুব জাগ্ৰত। বছরভর রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন জায়গার মানুষ এসে পূজা দিয়ে যান। তবে এখানকার মানুষের সেরকম উৎসাহ নেই। যেকারনে পুজোয় কোনও জাঁকজমক নেই। আমরা চাই মন্দির এবং পুজো নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হোক।” (Jalpaiguri)

Related Articles