দেশ

মর্মান্তিক! মহারাষ্ট্রে জলতঙ্কে মৃত্যু তিন বছরের শিশুর

পরিবারের অভিযোগ, কুকুরের কামড়ের ঘটনা প্রথমে কেউ জানায়নি, আর চিকিৎসার জন্য ছুটোছুটি করেও সাহায্য মেলেনি কোথাও।

Truth Of Bengal: পথকুকুরদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো নিয়ে যখন বির্তকে তুঙ্গে তখন  মহারাষ্ট্রে কুকুরের কামড়ে ঘটল শিশু মৃত্যুর ঘটনা। মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সাম্ভাজীনগরে কুকুরের কামড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় তিন বছরের এক শিশুর। কুকুর কামরের প্রায় ১০ দিন পর জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা যায় শিশুর শরীরে। আর তাতেই মৃত্যু হয় ছোট্ট আরমানের। পরিবারের অভিযোগ, কুকুরের কামড়ের ঘটনা প্রথমে কেউ জানায়নি, আর চিকিৎসার জন্য ছুটোছুটি করেও সাহায্য মেলেনি কোথাও।

জানা গিয়েছে, খেলার সময় হঠাৎই একটি কুকুর আরমানের মাথায় আক্রমণ করে। পরিবারকে বলা হয়, সে নাকি খেলতে গিয়ে পড়ে গেছে। ফলে প্রথমে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। পরিবার শিশুটির মাথা পরীক্ষা করলেও আঘাতের চিহ্ন পাননি। কিন্তু আট দিন পর আরমান মাথা চুলকোতে শুরু করলে তাঁরা চুলের নিচে দাঁতের দাগ দেখতে পান।আরমানের কাকা শেখ রাহিস জানিয়েছেন, আমরা কিছুই জানতাম না। আরমান বলেছিল, সে পড়ে গেছে। পরে যখন মাথা চুলকোতে থাকে, তখন কামড়ের দাগ দেখতে পাই। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু চিকিৎসা দিতে রাজি হয়নি ডাক্তাররা।

এক হাসপাতাল থেকে আরেকটিতে পাঠানো হয়, কিন্তু কেউ চিকিৎসা করেনি। শেষ পর্যন্ত বলা হয়, শিশুটিকে আর বাঁচানো যাবে না।পরিবার জানায়, মৃত্যুর আগে আরমানের আচরণে জলাতঙ্কের সমস্ত উপসর্গই দেখা দিয়েছিল। কাকা বলেন, ও জল খেতে ভয় পাচ্ছিল। বারবার শরীর চুলকোচ্ছে, কম্বলের নিচে লুকোচ্ছে। মুখ থেকে লালা পড়ছিল, ঠিক রাস্তার কুকুরের মতো। চিকিৎসকরা পরিবারের সদস্যদেরও প্রতিষেধক টিকা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন।তাঁদের দাবি, রাস্তার কুকুরদের নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং এই ধরনের ঘটনা রুখতে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। পরিবারের আর্জি, ‘আমাদের মতো যেন আর কোনও পরিবারের এমন পরিণতি না হয়।‘ আরমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার।

Related Articles