বিজয়া দশমীতে নতুন আনন্দের আভাস, শুরু জগদ্ধাত্রী পুজোর তোড়জোড়
তবে দশমীর এই বিষাদের সুরের সঙ্গেই শহরজুড়ে নতুন উৎসবের প্রস্তুতি।
Truth Of Bengal: রাকেশ চক্রবর্তী,হুগলি: কৈলাসে ফিরেছেন উমা। বাংলাজুড়ে বিষাদের সুর৷ তবে এই বিষাদের মধ্যেও আনন্দে উচ্ছ্বাসে মাতলেন চন্দননগরবাসী৷কারণ দেবী দুর্গার যাওয়ার সঙ্গেই জগদ্ধাত্রীর আগমন ঘটতে চলেছে এখানে৷ বিজয়া দশমীতে হল জগদ্ধাত্রীর কাঠামো পুজো৷ চন্দননগর ও আশপাশের এলাকায় ইতিমধ্যেই কাঠামো পুজোর মাধ্যমে জগদ্ধাত্রী উৎসবের সূচনা হয়েছে।চন্দননগর উত্তরাঞ্চল, বড়বাজার সহ একাধিক পুজো কমিটিতে কাঠামো পুজো সম্পন্ন হয়েছে। ব্রাহ্মণের মন্ত্রোচ্চারণে মাকে আহ্বান জানানো হয়।(Chandannagar)
কাঠামো পুজোর পর থেকেই শুরু হবে প্রতিমা গড়ার কাজ। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর এক মাস পর হয় জগদ্ধাত্রী পুজো, তাই এখন থেকেই চন্দননগরবাসীর (Chandannagar) মধ্যে উৎসবের আমেজ শুরু হয়ে গেছে।ভদ্রেশ্বর ব্যানার্জি বাড়ির দুর্গা ও বারোয়ারি পুজো কমিটিতে সিঁদুর খেলা শেষে শুরু হয়েছে প্রতিমা বিসর্জন। চুঁচুড়া ও চন্দননগরের গঙ্গার ঘাটে চলছে বিদায়ের পালা। তবে দশমীর এই বিষাদের সুরের সঙ্গেই শহরজুড়ে নতুন উৎসবের প্রস্তুতি।
চন্দননগর (Chandannagar) উত্তরাঞ্চল বিবিরহাট জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি এ বছর পদার্পণ করছে ৫৯ বছরে, আর বড়বাজার কমিটি উদযাপন করছে ৬৩ তম বর্ষ। কাঠামোতে মাটি দিয়ে শিগগিরই শুরু হবে প্রতিমা নির্মাণ।বড়বাজার পুজো কমিটির কর্মকর্তা প্রণব শীল জানিয়েছেন, ‘ দশমী আমাদের কাছে শুভ দিন। তাই এই দিন থেকেই কাঠামো পুজো করা হয়। নিয়ম-নিষ্ঠার সঙ্গে এবারও শুরু হল জগদ্ধাত্রী পুজোর আয়োজন। শিগগিরই ১৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমা তৈরি হবে। আমাদের মন্ডপ থিমের হলেও প্রতিমায় থাকবে ডাকের সাজের আভিজাত্য।‘ চন্দননগর উত্তরাঞ্চল বিবিরহাট জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ সুজিত পাল বলেন, ‘ প্রতি বছরের মতো এবছরও কাঠামো পুজোর মধ্য দিয়ে শুরু হল আমাদের পুজো। আমাদের মন্ডপ কাল্পনিক প্রাসাদের আদলে তৈরি হয়। সাবেকি প্রতিমার রূপ অক্ষুণ্ণ রাখলেও সাজে নতুনত্বের ছোঁয়া দেওয়া হবে।‘ দুর্গা পুজো শেষ হতে না হতে জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে চন্দননগরে শুরু হয়েছে জোরকদমে প্রস্তুতি।






