রাজ্যের খবর

হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ‘সবচেয়ে বড় জগদ্ধাত্রী’ মণ্ডপ, দেখুন ভিডিয়ো

উদ্ধারকাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অমিত পি জবলগী-সহ উচ্চপদস্থ কর্তারা, অসংখ্য পুলিশকর্মী, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম ও দমকলকর্মীরা।

Truth Of Bengal: ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় জগদ্ধাত্রী’ – এটাই ছিল ট্যাগলাইন। চন্দননগরের কানাইলালপল্লীর সেই পুজো মণ্ডপ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল। আহত অন্তত ৭ জন। কারো মাথা ফেটেছে, কারো হাত ভেঙেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অমিত পি জবলগী-সহ উচ্চপদস্থ কর্তারা, অসংখ্য পুলিশকর্মী, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম ও দমকলকর্মীরা।

মণ্ডপের তলায় আর কেউ চাপা পড়ে আছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।দর্শকদের চমকে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই কানাইলালপল্লী প্রায় ৭০ ফুট উঁচু মণ্ডপ তৈরি করেছিল। সামনে ফাইবারের জগদ্ধাত্রী মূর্তি। অতিরিক্ত উচ্চতার কারণে হালকা হাওয়াতেই মণ্ডপ উল্টে পড়ে। সেই সময় মণ্ডপে দর্শনার্থী ছিলেন। দু’জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। আহতদের উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন জগদ্ধাত্রী পুজোর বিচারক জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।
তিনি জানান, বিচারকমণ্ডলীর প্রত্যেক সদস্যই আহত। প্রতিমা দেখে বেরোতেই জোর হাওয়ায় মণ্ডপ দুলতে শুরু করে। হঠাৎ হেলে পড়ে। দৌড়াদৌড়ি পড়ে যায়। কারো মাথা ফাটে, কারো পা ভাঙে। ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন তিনি।আহত হয়েছেন এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মী রানী ঘোষ। তাঁকে চন্দননগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। লক্ষ্মীদেবী বলেন, গতকাল মণ্ডপ অসম্পূর্ণ থাকায় আসতে পারেননি।
মঙ্গলবার বিকেলে ভিড় কম থাকায় ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন। বেরোতেই গোটা মণ্ডপ তাঁর গায়ে ভেঙে পড়ে।চন্দননগর কর্পোরেশনের মেয়র রাম চ্যাটার্জী বলেন, বিকেলের ঝোড়ো হাওয়ায় অতিরিক্ত উচ্চতার মণ্ডপ ভেঙে পড়ে। পুলিশ, দমকল ও স্থানীয়দের উদ্যোগে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমি খোঁজখবর নিয়েছি, নিজেও হাসপাতালে যাচ্ছি। মা জগদ্ধাত্রীর কৃপায় কারো বড় ক্ষতি হয়নি।

Related Articles