দেশ

Delhi Murder: নৃশংস! জামাইয়ের হাতে পুড়ে মৃত্যু হল শ্বশুরমশাইয়ের, মর্মান্তিক ঘটনা পূর্ব দিল্লির

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের মেয়ে নিশা ১৫ আগস্ট স্বামী সন্দীপের সঙ্গে ঝগড়া করে বাপের বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন ১৬ আগস্ট সকালে সন্দীপ শ্বশুরবাড়িতে হাজির হয়

Truth of Bengal: পূর্ব দিল্লির ঘরোলি এক্সটেনশনে এক ভয়াবহ ঘটনায় জামাইয়ের হাতে পুড়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম রণবীর সিংহ, পেশায় তিনি ছিলেন অটোচালক। পুলিশ জানিয়েছে, জামাইকে আটকের পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের মেয়ে নিশা ১৫ আগস্ট স্বামী সন্দীপের সঙ্গে ঝগড়া করে বাপের বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন ১৬ আগস্ট সকালে সন্দীপ শ্বশুরবাড়িতে হাজির হয় এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার দাবি করে। কিন্তু রণবীর সিংহ মেয়েকে পাঠাতে অস্বীকার করেন। এরপরই সন্দীপ রণবীরের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ (Delhi Murder)।

আরও পড়ুনঃ  Monkey Menace: ফের বাঁদর আক্রমন শালবনীতে, আতঙ্কে এলাকাবাসী

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রণবীরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুর আগে পুলিশের কাছে তিনি বয়ান দেন যে, বিয়ের পর থেকেই সন্দীপ তাঁদের পরিবারকে হয়রানি করে আসছিল। এছাড়া সে নিয়মিত মদ্যপান করত এবং এর ফলে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। ঘাজিপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন থানায় একটি পিসিআর কল আসে। ফোনকারী জানান, তাঁর এক আত্মীয় ফোনকারীর বাবার গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় আহত রণবীর সিংহকে প্রথমে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় সাফদরজং হাসপাতালে (Delhi Murder)।

প্রথমে ঘাজিপুর থানায় চেষ্টা করে খুনের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়। তবে ২৪ আগস্ট রণবীর সিংহের মৃত্যু হওয়ায় মামলা পরিবর্তন করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) ধারা ১০৩(১) অনুযায়ী খুনের মামলা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত সন্দীপ ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল। মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে পুলিশি নজরদারি এড়াতে চেয়েছিল সে। তবে প্রযুক্তিগত নজরদারি ও স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে তার গতিবিধি ধরা পড়ে। ১৯ আগস্ট এক গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের এক বেসরকারি স্কুল থেকে সন্দীপকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলেই আগে মালি হিসেবে কাজ করত সে। ঘটনার সময় সন্দীপ বেকার ছিল (Delhi Murder)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal

পুলিশের দাবি, সন্দীপের সহিংস আচরণের আগের ইতিহাসও রয়েছে। এক সপ্তাহ আগে সে নিজের মাকে মারধর করে এবং গ্যাস সিলিন্ডারের নোব খুলে দেয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। বর্তমানে অভিযুক্ত সন্দীপ বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। তদন্তকারীরা ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহ ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দি নথিভুক্ত করছেন। এদিকে মৃতের ময়নাতদন্ত লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে চলছে (Delhi Murder)।

Related Articles