Birbhum: প্রণব পুত্র অভিজিৎকে জেলা কংগ্রেস সভাপতি করায় ক্ষুব্ধ বীরভূমের কংগ্রেস কর্মীরা
প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর উপনির্বাচনে জঙ্গিপুর আসন থেকে প্রার্থী হন অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।
Truth of Bengal: বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে, শাসক থেকে বিরোধী, সকল দলই কমবেশি নিজেদের সংগঠন গোছানোর কাজ চালু করে দিয়েছে। তবে বীরভূমে কংগ্রেসের অন্দরে তৈরি হলো অশান্তি। কি কারনে? প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে বীরভূমের (Birbhum)জেলা কংগ্রেস সভাপতি করাতে চরম ক্ষুব্ধ দলের কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, ওনার নিজস্ব কোন পরিচয় নেই।
[আরও পড়ুনঃ RG Kar case: আরজি কর কাণ্ড: নির্যাতিতার পরিবারের মেলের জবাব দিলেন রাষ্ট্রপতি]
প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর উপনির্বাচনে জঙ্গিপুর আসন থেকে প্রার্থী হন অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি সেখান থেকে জয় পান, তবে ২০১৯ সালে হেরে গিয়েছিলেন। ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। কিন্তু চার বছর পর তিনি ফের হাত শিবিরে ফিরে আসেন এবং তাঁকেই জেলা কংগ্রেস সভাপতি করা হয়।
এরপরই ক্ষোভ উগড়ে দেন দলের নেতা-কর্মীরা। এক প্রবীণ কর্মী বলেন, “সংগঠনের কিছু উনি বোঝেন? কিছু করেননি জঙ্গিপুরের সাংসদ থাকাকালীনও। তৃণমূলে যখন উন্নয়ন দেখে গিয়েছিলেন, তাহলে আবার ফেরত এলেন কেন? ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকলে উনি চলে যাবেন। ওনার থেকে মিল্টন রশিদ অনেক ভালো নেতা। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ছেলে ছাড়া আর কোন পরিচয় নেই ওনার।”(Birbhum)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]
অন্যদিকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “কংগ্রেসের হয়ে বীরভূমের মাটিতে ওনাকে মানুষ মিটিং, মিছিল করতে দেখেছেন কিনা জানিনা। দিল্লিতে বসে রাজনীতি করলে হয় না। বীরভূমে এসে করতে হবে। যেই তৃণমূল বিরোধিতা করেছিল প্রণব মুখোপাধ্যায়কে রাষ্ট্রপতি হওয়ার সময়, সেখানেই উনি গিয়েছিলেন। যদি প্রণব বাবু বেঁচে থাকতেন তাহলে খুব কষ্ট পেতেন।” এবার দেখার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কিভাবে পরিস্থিতির সামাল দেয় কংগ্রেস।(Birbhum)






