Durgapur: পুনর্বাসন না দিয়ে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের জমি অধিগ্রহণে জনরোষ
কেন এভাবে জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে,কেন ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে,তা নিয়ে সবমহলই জানতে চায়।
Truth of Bengal: এ যেন বাম আমলের সিঙ্গুরের স্মৃতি উস্কে দিল। ২০০৬-এ জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ বাংলার রাজনীতিতে সাড়া ফেলেছিল। ২০২৫-এ দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের কাছে ১৯নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য জমি অধিগ্রহণ ঘিরে শোরগোল। যাঁরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সবার মুখে অন্ন জোগান.যাঁরা সভ্যতার পিলসুজ বয়ে যান,তাঁদের জমি কেন রাতের অন্ধকারে দখল করা হল,সেই প্রশ্নই বড় করে উঠছে। কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের কাজে কৃষকরা হতবাক। কেন এভাবে জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে,কেন ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে,তা নিয়ে সবমহলই জানতে চায়। (Durgapur)
[আরও পড়ুনঃ Durgapur Heist: চোর না অতিথি? চুরির উদ্দেশ্যে বাড়িতে ঢুকে জমিয়ে চায়ের আড্ডা]
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ‘কোন পরিকল্পনা নেই, নোটিস নেই, হঠাৎই দেখি কেন্দ্রীয় সরকার জমি নিয়ে নিয়েছে। আমরা কয়েকজন একদিন ফোনে চেক করছিলাম, আমাদের জমির তথ্যগুলো দেখি, সেখানে আমাদের নামে কোনও তথ্যই নেই। হঠাৎ করে জমি কেড়ে নিল। গোল ভাবে ঘিরে ৩১ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করে নিয়েছে। আমাদের ক্ষতিপূরণ দিলেও নেব না। (Durgapur)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]
ডানকুনির ৪নং ওয়ার্ডের জাতীয় সড়কের দুপাশে প্রায় ৩২ বিঘা জমি রেকর্ড চলে গেছে কেন্দ্রের সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। স্থানীয় ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর হাসান মণ্ডলের দাবি, ‘হঠাৎ করে দেখা যাচ্ছে ডানকুনি টোলিং পশ্চিম দিকে একটা বস্তি আছে, সেটাকে তুলে দেওয়া হল। কোনও নোটিস দেয়নি। আলোচনা করেনি। হঠাৎ করে উৎখাত।তাঁদের আরও বক্তব্য,রাজ্য সরকারের দেখে শিখুক কেন্দ্র,ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে জমি নেওয়া বা পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করে জমি নিয়ে আপত্তি নেই। (Durgapur)






